ঢাকা টু চট্টগ্রাম ট্রেনের সময়সূচী
বাংলাদেশের অন্যতম ব্যস্ত ও জনপ্রিয় রুট হলো ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম। ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা, পর্যটন—যেকোনো কারণেই এই রুটে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। আর ভ্রমণের সবচেয়ে
আরামদায়ক ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে অনেকেই বেছে নেন ট্রেন। কম খরচে আরামদায়ক সিট, নিরাপদ যাত্রা, সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো এবং ন্যূনতম ঝামেলা—সব মিলিয়ে ট্রেন ভ্রমণ এই রুটে যাত্রীদের প্রথম পছন্দ।
ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে নিয়মিত বেশ কিছু আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে, যাদের রয়েছে আলাদা আলাদা সময়সূচি, ভাড়া এবং সেবা-সুবিধা। যাত্রার আগে এসব তথ্য জানা থাকলে আপনার ভ্রমণ আরও সহজ
, ঝামেলামুক্ত এবং আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে অনলাইন টিকিট কেনা, কোচ ক্লাস, ভাড়া তালিকা, সময়সূচি পরিবর্তনসহ নানা বিষয় যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা বহন করে।
পেজ সূচিপএ : ঢাকা টু চট্টগ্রাম ট্রেনের সময়সূচী
- ঢাকা ⇢ চট্টগ্রাম: ট্রেনের সময়সূচী গাইড
- ঢাকা টু চট্টগ্রাম ট্রেনের ভাড়া
- ঢাকা টু চট্টগ্রাম ট্রেনের টিকেট
- ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ট্রেনের জনপ্রিয় ট্রেনসমূহ
- ট্রেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এবং সতর্কতা
- চট্টগ্রাম রুটে ট্রেনের বিভিন্ন শ্রেণী ও সুবিধা
- ঢাকা–চট্টগ্রাম ট্রেন ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় টিপস
-
❓ FAQ / সাধারণ প্রশ্নোত্তর
- 📝 শেষ কথা
ঢাকা ⇢ চট্টগ্রাম: ট্রেনের সময়সূচী গাইড
বাংলাদেশে রাজধানী Dhaka থেকে বন্দরনগরী Chattogram (চট্টগ্রাম) রেলপথে যাতায়াতের জন্য বেশ কিছু জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন আছে। নিচে ২০২৫ সালের আপ-টু-ডেট সময়সূচী (প্রাথমিকভাবে) ও কিছু সাধারণ তথ্য দেওয়া হলো। যাত্রা পরিকল্পনা করার আগে অফিসিয়াল সময়সূচী একবার চেক করাই ভালো।
🚆 প্রধান ট্রেন ও সময়সূচী
| ট্রেন নাম (নম্বর) | ঢাকা ছাড়ার সময় (কমলাপুর) | চট্টগ্রামে পৌঁছানোর সময় | বন্ধীর দিন / রিমার্ক |
|---|---|---|---|
| Mahanagar Provati (704) | সকাল 07:45 | দুপুর 1:35-2:00 | প্রতি দিন চলাচল |
| Sonar Bangla Express (788) | সকাল 07:00 | দুপুর 11:55-12:15 | (কিছু সূত্রে বুধবার বন্ধ বলা হয়েছে) |
| Suborno Express (702) | বিকাল 4:30 | রাত 9:25 | সোমবার বন্ধ |
| Mahanagar Express (722) | রাত 9:20–9:30 | ভোর 3:30–5:50 | রবিবার বন্ধ (অন্যান্য দিন) |
| Turna Express (742) | রাত 11:15 | ভোর 5:15 | প্রতি দিন চলাচল |
| Cox's Bazar Express / মেইল-এক্সপ্রেস (814) | রাত 10:30 | ভোর 3:40 | (কিছু দিন বন্ধ থাকতে পারে) |
| Chattala Express (802) | দুপুর 1:45 | রাত 8:10 | (সূত্রভেদে) |
| মেইল-ট্রেন: Chattogram Mail (02) | রাত 10:30 | পরের সকাল 7:25 | প্রতি দিন চলাচল |
⚠️ মন্তব্য:
উপরের সময় এবং বন্ধীর দিন (off-day) বিভিন্ন সূত্র থেকে নেওয়া। কিন্তু রুটিন মাঝে মাঝে পরিবর্তন হতে পারে — বিশেষ করে উৎসব, রেল রক্ষণাবেক্ষণ বা আবহাওয়াজনিত কারণে।
গরম বা উৎসব মৌসুমে টিকেট দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে। আগে থেকেই বুকিং করাই নিরাপদ।
কেন ট্রেনে যাওয়া সুবিধাজনক
-
এই রুট (ঢাকা → চট্টগ্রাম) রেলপথে প্রায় সব সময়ই ট্রেন পাওয়া যায় — প্রাত্যহিক ও বিকল্প সময় অনুযায়ী।
-
ট্রেনগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণি — সাধারণ (শোভন), স্লীপার, এসি ইত্যাদি; অর্থাৎ বাজেট এবং আরামের দিক থেকে ভিন্ন ভিন্ন সুযোগ।
-
প্রায় ৫–৭ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুট শেষ করা যায়, যা বাস বা গাড়ির তুলনায় অনেক সময় সাশ্রয়ী।
যাত্রা করার আগে কিছু টিপস
-
টাইমটেবল চেক করে নিন — কারণ সময়সূচি মাঝে মাঝে বদলায়। অফিসিয়াল সাইট বা অ্যাপ (যদি থাকে) বা স্টেশনের বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
-
আগাম টিকিট বুকিং করুন — বিশেষ করে ছুটির দিন, উৎসব বা ভীড়ের সময়ে।
-
ভাড়া এবং ক্লাস যাচাই করুন — আপনি যদি আরামপ্রধান হয় চান তবে AC/শোবার সুবিধাসহ স্লীপার বা চেয়ার কোচ বেছে নিতে পারেন।
-
স্টেশন ও সময় খেয়াল রাখুন — ঢাকা থেকে যাত্রা হলে কমলাপুর রেলস্টেশন, আর চট্টগ্রামে পৌঁছানোর স্টেশন заранее জানবেন।
সংক্ষিপ্ত সারাংশ
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রেলপথে পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় ট্রেনগুলোর একটি নির্ভরযোগ্য সময়সূচী তৈরি করা সম্ভব। উপরের তালিকা ও টিপস অনুসরণ করলে, আপনার যাত্রা হবে অনেক সহজ, নিরাপদ ও আরামদায়ক। মনে রাখবেন — যাত্রার আগে সবসময় অফিসিয়াল সময়সূচী চেক করবেন।
আরো পড়ুন : মাথা ব্যথা কমানোর ২০টি ঔষধের নাম
ঢাকা টু চট্টগ্রাম ট্রেনের ভাড়া
নিচের টেবিলে কিছু জনপ্রিয় ট্রেন ও ক্লাস অনুসারে ভাড়া দেওয়া হলো — আপনার ট্রিপের ধরন অনুযায়ী ভাড়া ভিন্ন হবে:
| আসন / ক্লাস (Seat / Coach type) | আনুমানিক ভাড়া (BDT) |
|---|---|
| শোভন (Shovan / General) | ~ ৳ 285 |
| শোভন চেয়ার (Shovan Chair / S_CHAIR) | ~ ৳ 405–450 |
| ফার্স্ট ক্লাস / First Seat / First Class Seat | ~ ৳ 460–685 (ট্রেন অনুযায়ী) |
| স্নিগ্ধা (Snigdha / AC-chair / AC-seat) | ~ ৳ 777–855 |
| AC সিট / AC Seat | ~ ৳ 932–1025 (কিছু ট্রেনে) |
ℹ️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
-
ভাড়া ক্লাস, ট্রেন (যেমন Suborno Express, Sonar Bangla Express ইত্যাদি), এবং ট্রেন ধরন (নন-স্টপ, এক্সপ্রেস, মেইল ইত্যাদি) অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
-
অনলাইনে টিকিট কেনার সময় — কখনো কখনো অফিস-কাউন্টার থেকে ভাড়ার সঙ্গে সামান্য পার্থক্য হতে পারে।
-
ভ্রমণের সময় (উৎসব, ছুটির দিন, রেল রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি) এবং সিট পাওয়া যায় কি না, তা ভাড়া ও সুবিধার ওপর প্রভাব ফেলে।
ঢাকা টু চট্টগ্রাম ট্রেনের টিকেট
-
আপনি অনলাইনে অফিসিয়াল পোর্টাল eticket.railway.gov.bd এর মাধ্যমে বা Rail Sheba মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে টিকেট কাটতে পারেন
-
বিকল্পভাবে, সরাসরি রেল স্টেশন- কান্টার (যেমন ঢাকা-র কমলাপুর, চট্টগ্রাম স্টেশন) বা অনুমোদিত টিকিট এজেন্টের কাছ থেকেও টিকেট কেনা যায়।
-
অনলাইনে টিকেট কাটার জন্য যাত্রার তারিখ, রেল ক্লাস (শোভন, শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা, এসি, বার্থ ইত্যাদি) নির্বাচন করে পেমেন্ট করতে হবে।
💡 ঢাকা → চট্টগ্রাম: টিকেটের ভাড়া (Seat / Coach অনুযায়ী)
নিচে কিছু সাধারণ ক্লাস/আসন অনুযায়ী আনুমানিক ভাড়া দেওয়া হলো — কোন ট্রেন, ক্লাস, সময় অনুযায়ী ভাড়া ভিন্ন হতে পারে।
| আসন/ক্লাস (Seat / Coach) | আনুমানিক টিকেট ফেয়ার (BDT) |
|---|---|
| শোভন (Shuvon / General) | ~ 285 টাকা |
| শোভন চেয়ার (Shuvon Chair) | ~ 405 টকা |
| First Seat / ১ম শ্রেণি চেয়ার | ~ 460 টকা |
| First Berth / ১ম শ্রেণি বার্থ | ~ 685 টকা |
| Snigdha (AC-Chair / AC-Seat) | ~ 777 টাকা |
| AC Seat / AC কেবিন / AC_B (AC Berth) | ~ 788–1179 টাকা (কিছু ট্রেনে) |
⚠️ মনে রাখবেন:
ভাড়া ট্রেনের ধরন (মেইল / এক্সপ্রেস / ইন্টারসিটি), আসন ধরন, এবং সময় অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে।
উৎসব বা ছুটির দিনে টিকেট বুকিং আগে থেকেই করতে হবে, অন্যথায় টিকেট পাওয়া কঠিন হতে পারে।
আরো পড়ুন : ইসোরাল মাপস ২০ এর কাজ কি
✅ টিকেট কাটা — কীভাবে করবেন
-
অফিসিয়াল ই-টিকেট পোর্টাল (eticket.railway.gov.bd) বা Rail Sheba অ্যাপ এ যান।
-
আপনার যাত্রার তারিখ, ঢাকা (প্রস্থান) ও চট্টগ্রাম (গন্তব্য) নির্বাচন করুন।
-
পছন্দের ট্রেন ও আসন/ক্লাস নির্বাচন করুন।
-
পেমেন্ট (মোবাইল ব্যাংকিং / কার্ড) করে টিকেট কনফার্ম করুন।
-
ই-টিকেট প্রিন্ট বা মোবাইলে সংরক্ষণ করে রাখুন। — যাত্রার সময় এটি ও NID (জাতীয় পরিচয়পত্র) সঙ্গে রাখতে হবে।
👍 কিছু টিপস / পরামর্শ
-
ঢাকা → চট্টগ্রাম রুটে চাহিদা বেশিরভাগ সময়ই বেশি — আগে থেকে টিকেট কাটলে ভালো।
-
টিকিট কাটার সময় “ট্রেন + ক্লাস + তারিখ + আসন” ভালো করে চেক করুন। ভাড়া বা ট্রেন টাইপ ভুল হলে যাত্রার সময় সমস্যা হতে পারে।
-
মোবাইল/অনলাইন ই-টিকেট হলে প্রিন্ট বা ডিজিটাল কপি রাখুন, সাথে NID থাকা বাধ্যতামূলক।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ট্রেনের জনপ্রিয় ট্রেনসমূহ
কিছু জনপ্রিয় ট্রেনগুলোর তালিকা দেওয়া হলো — যারা ঢাকা → চট্টগ্রাম রুটে নিয়মিত ও জনপ্রিয়ভাবে চালায়। আপনি যেকোনো ট্রেন বেছে নিতে পারেন — সময়, ক্লাস বা সুবিধার ওপর ভিত্তি করে।
🚆 জনপ্রিয় ঢাকা → চট্টগ্রাম ট্রেনসমূহ
| ট্রেন নাম | ঢাকা ছাড়ার সময় | চট্টগ্রামে পৌঁছার সময় / সময়কাল | মন্তব্য / বিশেষত্ব |
|---|---|---|---|
| Sonar Bangla Express | সকাল 07:00 | দুপুর 11:55 (প্রায় ৫–৬ ঘণ্টা) | স্বল্প-মেয়াদি ও দ্রুত; সুবিধাসহ (AC/Chair) যাত্রীদের পছন্দ |
| Mahanagar Provati | সকাল 07:45 | দুপুর ~ 1:35–1:50 | সকালের ট্রিপ পছন্দ করে যারা; প্রতিদিন চলাচল করে |
| Suborno Express | বিকাল 04:30 | রাত 09:25–09:50 (প্রায় ৫–৬ ঘণ্টা) | বিকালে যাত্রা করতে ইচ্ছুকদের জন্য ভালো |
| Mahanagar Express | রাত 09:20–09:30 | ভোর ~ 03:30–04:50 (রাত্রী-যাত্রা) | রাতের জন্য উপযুক্ত — যারা ডে-টাইম কাজে ব্যস্ত |
| Turna Express | রাত ~ 11:15–11:40 | ভোর ~ 05:15–06:20 (রাত্রী-যাত্রা) | রাতের যাত্রা + সহজ/সাশ্রয়ী বিকল্প |
✨ কখন কোন ট্রেন বেছে নেওয়া উচিত?
-
যদি আপনি সকাল থেকে সকালেই চট্টগ্রামে পৌছাতে চান → Sonar Bangla Express বা Mahanagar Provati ভালো।
-
বিকালে ঢাকা ছাড়তে চান → Suborno Express সুবিধাজনক।
-
রাতের যাত্রা করে ভোরে পৌঁছানোর পরিকল্পনা → Mahanagar Express বা Turna Express উপযুক্ত।
-
যদি আরামে ভ্রমণ বা AC/Chair/স্লিপার চান → Sonar Bangla Express বা Suborno Express-এর AC/Chair ক্লাস লাভজনক।
ট্রেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এবং সতর্কতা
-
সম্প্রতি রেলওয়ে একটি নতুন সময়সূচি (Working Time Table‑54 / WTT-54) ঘোষণা করেছে — এর ফলে প্রায় ৫০০+ আন্তনগর, এক্সপ্রেস, মেইল ও কমিউটার ট্রেনের রুট ও ছাড়ার/পৌঁছার সময় পরিবর্তন হয়েছে।
-
কুয়াশা, শীত, আবহাওয়া, রেল লাইন রক্ষণাবেক্ষণ বা অন্যান্য নিরাপত্তা-কারণেও মাঝে মাঝে সময়সূচি সাময়িক পরিবর্তিত হতে পারে।
-
উৎসব বা ছুটির মৌসুমে (উদাহরণ: ঈদ) যাত্রী চাপ, রেল অফিস পরিকল্পনা বা বিশেষ অনুষ্ঠানের কারণে ট্রেন বা স্টপেজ-সূচিতে হঠাৎ পরিবর্তন/বাতিল ঘটতে পারে।
-
কখনো কখনো রেল কর্মচারী বা স্টাফদের ধর্মঘট বা কাজে অনুপস্থিতির কারণে নির্ধারিত ট্রেন বা সার্ভিস বাতিল বা বিলম্বিত হতে পারে।
⚠️ যাত্রীদের জন্য সতর্কতা ও করণীয়
-
যাত্রার আগে অবশ্যই অফিসিয়াল সময়সূচি বা স্টেশন বোর্ড/রেলওয়ের বিজ্ঞপ্তি চেক করুন — কারণ “পুরনো সময়”–এ ট্রেন না থাকতে পারে।
-
ট্রেন বুকিংয়ের পরেও সময়সূচি পরিবর্তন হলে ই-টিকেটের ডেটা (তারিখ, সময়, ট্রেন নাম) ভালো করে পড়ে নিন।
-
বিশেষ করে কুয়াশা বা শীতে — প্ল্যাটফর্মে বা রেলগেট পারাপারে নিরাপত্তা বজায় রাখতে বাড়তি সচেতন থাকুন।
-
মহামানবিক বা ধর্মঘট–সংক্রান্ত কর্মবিরতি বা রুপায়নের আগে বিকল্প বাস বা পরিবহন ব্যবস্থার দিকে তাকিয়ে রাখুন।
-
উৎসব বা ছুটি সময় — আগে থেকে বুকিং ও স্টেশন/রেলওয়ে খবর রাখুন, কারণ অতিরিক্ত ভিড় বা সময়সূচি বদল হতে পারে।
📝 কেন এটি আপনার জন্য জরুরি — বিশেষ করে ঢাকা ⇢ চট্টগ্রাম রুটে
যেহেতু ঢাকা ও চট্টগ্রাম রুটে মানুষ ঘন-ঘন যাত্রা করে এবং ট্রেনগুলোর চাহিদা অনেক — সেখানে সময়সূচিতে ছোটখাট পরিবর্তনও আপনার ভ্রমণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আগে থেকে সচেতন থাকলে — যাত্রা নিরাপদ, সুবিধাজনক ও দুশ্চিন্তা-মুক্ত হবে।
আরো পড়ুন : ওয়ালটন ফ্রিজ বাংলাদেশ প্রাইস
চট্টগ্রাম রুটে ট্রেনের বিভিন্ন শ্রেণী ও সুবিধা
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটটি বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ রেলপথগুলোর একটি। যাত্রীদের প্রয়োজন, বাজেট ও আরামের উপর ভিত্তি করে Bangladesh Railway এখানে বিভিন্ন ধরনের কোচ/শ্রেণী সংযোজন করেছে। প্রতিটি শ্রেণীর সুবিধা আলাদা — কেউ চান সাশ্রয়ী ভ্রমণ, কেউ চান আরামদায়ক ও দ্রুত সার্ভিস।
১️⃣ শোভন (Shovan Class)
✔ শ্রেণীর ধরন
সবচেয়ে সাধারণ ও সাশ্রয়ী ক্লাস।
✔ সুবিধা
-
ভাড়া সবচেয়ে কম
-
বেসিক সিটিং
-
বড় ও মাঝারি সিট স্পেস
-
দৈনন্দিন যাত্রী বা বাজেট ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত
✔ কাদের জন্য
যারা কম খরচে ট্রেনে ভ্রমণ করতে চান।
২️⃣ শোভন চেয়ার (Shovan Chair / S-Chair)
✔ শ্রেণীর ধরন
শোভন শ্রেণীর তুলনায় উন্নত ও আরামদায়ক।
✔ সুবিধা
-
আরামদায়ক রিক্লাইনিং চেয়ার
-
ব্যবহারে সুবিধাজনক লেগস্পেস
-
সাধারণ ও পরিষ্কার পরিবেশ
-
পরিবারের জন্যও উপযুক্ত
✔ কাদের জন্য
বাজেট + আরামের সমন্বয় চান এমন যাত্রী।
৩️⃣ ফার্স্ট ক্লাস সিট (First Class Seat)
✔ শ্রেণীর ধরন
মাঝারি মানের আরামদায়ক সিটিং ব্যবস্থা।
✔ সুবিধা
-
শোভন চেয়ার থেকে বেশি আরাম
-
রিক্লাইনিং সুবিধা
-
নির্দিষ্ট কোচে কম যাত্রী
-
নিরাপদ ও শান্ত পরিবেশ
✔ কাদের জন্য
যারা অতিরিক্ত কিছু আরাম চান, কিন্তু AC প্রয়োজন নেই।
৪️⃣ ফার্স্ট ক্লাস বার্থ (First Berth)
✔ শ্রেণীর ধরন
ঘুমানোর মতো বার্থ/বেডসহ কোচ।
✔ সুবিধা
-
রাতের ট্রেনের জন্য খুব আরামদায়ক
-
নরম ম্যাট্রেস/বিছানা
-
লম্বা যাত্রায় ক্লান্তি কমায়
-
শব্দ কম, আশেপাশে কম যাত্রী
✔ কাদের জন্য
রাতের ভ্রমণে ঘুমানোর সুবিধা চান এমন যাত্রী।
৫️⃣ স্নিগ্ধা (Snigdha Class / AC-Chair)
✔ শ্রেণীর ধরন
মধ্যম মানের AC কোচ।
✔ সুবিধা
-
এয়ার কন্ডিশন (AC)
-
আরামদায়ক চেয়ার
-
ভাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
-
নিরাপদ ভ্রমণ
-
খাবার পরিবেশন করা হতে পারে (কিছু ট্রেনে)
✔ কাদের জন্য
মধ্যম বাজেটে AC ভ্রমণ চান এমন যাত্রী।
৬️⃣ AC সিট / AC চেয়ার (AC Seat / AC_CH)
✔ সুবিধা
-
সম্পূর্ণ এয়ার কন্ডিশনড কোচ
-
চমৎকার সিটিং ও লেগস্পেস
-
উন্নত নিরাপত্তা ও সার্ভিস
-
যাত্রী সংখ্যা কম
✔ কাদের জন্য
যারা আরাম ও পরিবেশকে গুরুত্ব দেন।
৭️⃣ AC বার্থ (AC Berth / AC_B)
✔ শ্রেণীর ধরন
সবচেয়ে বিলাসবহুল ও আরামদায়ক ক্লাস।
✔ সুবিধা
-
এয়ার কন্ডিশনড শয়নবেড
-
উচ্চমানের ম্যাট্রেস
-
যাত্রী সংখ্যা কম, শান্ত পরিবেশ
-
রাতের যাত্রা সম্পূর্ণ আরামদায়ক
-
নিরাপত্তা বেশি
✔ কাদের জন্য
যারা সম্পূর্ণ আরামে, বিশেষ করে রাতে, ঘুমিয়ে ভ্রমণ করতে চান।
✨ কোন শ্রেণীটি বেছে নেবেন?
| প্রয়োজন | উপযুক্ত ক্লাস |
|---|---|
| সাশ্রয়ী ভ্রমণ | শোভন / শোভন চেয়ার |
| আরামের সাথে বাজেট | শোভন চেয়ার / ফার্স্ট সিট |
| পরিবারের আরামদায়ক ভ্রমণ | স্নিগ্ধা / ফার্স্ট সিট |
| রাতের ঘুমিয়ে ভ্রমণ | ফার্স্ট বার্থ / AC বার্থ |
| প্রিমিয়াম আরাম | AC সিট / AC বার্থ |
📌 গুরুত্বপূর্ণ টিপস
-
ভাড়া ক্লাস অনুযায়ী ভিন্ন হয়; বুকিংয়ের সময় ভালো করে দেখে নিন।
-
উৎসব বা ছুটির দিনে AC বা স্নিগ্ধা ক্লাসের টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
-
রাতে ভ্রমণে বার্থ ক্লাস সবচেয়ে আরামদায়ক।
-
Sonar Bangla / Suborno Express–এর AC/Chair ক্লাস সাধারণত বেশি জনপ্রিয়।
ঢাকা–চট্টগ্রাম ট্রেন ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় টিপস
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন। যেহেতু ট্রেনগুলোর চাহিদা অনেক বেশি এবং সময়সূচিতে মাঝে মাঝে পরিবর্তন হয়—তাই যাত্রার আগে কিছু জরুরি বিষয় জানা থাকলে আপনার ভ্রমণ হবে অনেক সহজ, নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত।
১️⃣ আগে থেকেই টিকিট কেটে নিন
-
এই রুটে প্রতিদিন ভিড় থাকে, বিশেষ করে ছুটির দিন, উৎসব বা পিক সিজনে।
-
অনলাইনে eticket.railway.gov.bd থেকে আগেই টিকিট কেটে রাখলে সিট মিস হওয়ার ঝুঁকি কমে।
-
AC বা Snigdha ক্লাসের টিকিট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
২️⃣ সময়সূচি অবশ্যই যাচাই করুন
-
ট্রেনের সময়সূচি মাঝে মাঝে পরিবর্তন হয় (রক্ষণাবেক্ষণ, আবহাওয়া, কুয়াশা, কর্মসূচি ইত্যাদির কারণে)।
-
যাত্রার ১ দিন আগে এবং যাত্রার দিন সকালে সময়সূচি চেক করা নিরাপদ।
-
স্টেশন বা অফিসিয়াল পোর্টালে আপডেট পাওয়া যায়।
৩️⃣ ভ্রমণের জন্য সঠিক শ্রেণী (Coach Class) নির্বাচন করুন
-
বাজেট ভ্রমণ: শোভন / শোভন চেয়ার
-
আরামদায়ক সিটিং: ফার্স্ট সিট / স্নিগ্ধা
-
রাতের ভ্রমণ: ফার্স্ট বার্থ / AC বার্থ
-
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা: AC সিট
প্রতিটি শ্রেণীর সুবিধা আগেই দেখে নিন এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন।
৪️⃣ সময়মতো স্টেশনে পৌঁছান
-
ঢাকা (কমলাপুর) স্টেশনে ভিড় বেশি থাকে, তাই ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০–৪৫ মিনিট আগে পৌঁছানো ভালো।
-
প্ল্যাটফর্ম গুলোর পরিবর্তন কখনো হঠাৎ হতে পারে—তাই ঘোষণা শুনুন।
৫️⃣ নিরাপত্তা সচেতন থাকুন
-
ট্রেনের ভিড়ে মোবাইল, ব্যাগ, মানিব্যাগ ইত্যাদি সাবধানে রাখুন।
-
জানালার পাশে হাত বা জিনিস বাইরে বের করবেন না।
-
রাতে একা ভ্রমণ করলে বার্থ কোচে যাত্রী সংখ্যা কম থাকলে সতর্ক থাকুন।
৬️⃣ খাবার ও পানি সঙ্গে রাখুন
-
বেশিরভাগ ট্রেনে খাবার পাওয়া যায়, কিন্তু সবসময় নয়।
-
বিশেষ করে সকাল/রাতের ট্রেনে নিজের পানি, হালকা নাস্তা রাখা ভালো।
-
হালকা ও নির্ভরযোগ্য ফুড আনুন (যেমন বিস্কুট, ফল, রুটি ইত্যাদি)।
৭️⃣ চার্জার / পাওয়ার ব্যাংক নিন
-
কিছু ট্রেনে চার্জিং পোর্ট থাকে, কিছুতে থাকে না।
-
দীর্ঘ ভ্রমণে ফোন চার্জ অপরিহার্য, তাই পাওয়ার ব্যাংক রাখুন।
৮️⃣ ফার্স্ট এইড বা প্রয়োজনীয় ওষুধ রাখুন
-
বাসি সিটিং বা লম্বা যাত্রায় মাথা ব্যথা, মোশন সিকনেস ইত্যাদি হতে পারে।
-
নিজের প্রয়োজনীয় ওষুধ/ফার্স্ট এইড সঙ্গে রাখুন।
৯️⃣ যদি শিশু বা বৃদ্ধের সঙ্গে যাত্রা করেন
-
Snigdha বা AC চেয়ার ক্লাস বেছে নিন, কারণ সিট বেশি আরামদায়ক।
-
খাবার, পানি, কম্বল বা হালকা চাদর সঙ্গে রাখুন।
-
বাথরুম ব্যবহার সুবিধাজনক এমন কোচ নির্বাচন করার চেষ্টা করুন।
🔟 রাতের ট্রেন ভ্রমণে বিশেষ টিপস
-
Turna Express, Mahanagar Express বা বার্থ কোচে ভ্রমণ করলে নিজের জিনিসপত্রের নিরাপত্তা বজায় রাখুন।
-
শোবার সময় ব্যাগ সিটের নিচে বা মাথার কাছে রাখুন।
-
জানালা ভালোভাবে বন্ধ আছে কিনা দেখে নিন।
1️⃣1️⃣ ভ্রমণের সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
-
নিজের খাবারের প্যাকেট, বোতল ও বর্জ্য নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলুন।
-
ট্রেন পরিষ্কার রাখা সবার দায়িত্ব।
1️⃣2️⃣ প্রয়োজনে স্টাফ বা গার্ডের সাহায্য নিন
-
যেকোনো সমস্যা, সিট নিয়ে ঝামেলা, বা কোচে অসুবিধা হলে ট্রেন গার্ড বা রেলওয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
-
জরুরি পরিস্থিতিতে হেল্পলাইন ব্যবহার করুন।
⭐ সারসংক্ষেপ
ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে ট্রেনে ভ্রমণ তুলনামূলক আরামদায়ক, দ্রুত ও নিরাপদ। তবে যাত্রা আরামদায়ক করতে হলে—আগে থেকে টিকিট কাটুন, সময়সূচি যাচাই করুন, সঠিক কোচ বেছে নিন এবং নিরাপদ ভ্রমণের নিয়মগুলো মেনে চলুন।
আরো পড়ুন : চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা
❓ FAQ / সাধারণ প্রশ্নোত্তর
১. ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে কোন কোন ট্রেন চলে?
ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে জনপ্রিয় ট্রেনগুলো হলো:
-
সোনার বাংলা এক্সপ্রেস
-
সুবর্ণ এক্সপ্রেস
-
মহানগর প্রভাতি
-
মহানগর এক্সপ্রেস
-
তূর্ণা এক্সপ্রেস
-
চট্টলা এক্সপ্রেস
এছাড়াও কিছু মেইল ট্রেনও চলে।
২. ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটের ভাড়া কত?
ভাড়া ক্লাসভেদে পরিবর্তিত হয়:
-
শোভন: প্রায় ২৮৫ টাকা
-
শোভন চেয়ার: ৪০৫ টাকা
-
ফার্স্ট সিট: ৪৬০ টাকা
-
স্নিগ্ধা: ৭৭৭ টাকা
-
AC সিট/AC বার্থ: ৯০০–১২০০+ টাকা
প্রতিটি ট্রেনের ভাড়া কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
৩. কীভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারি?
বাংলাদেশ
রেলওয়ের
অফিসিয়াল
ওয়েবসাইট
eticket.railway.gov.bd
অথবা
“Rail
Sheba”
অ্যাপের
মাধ্যমে
টিকিট
কাটা
যায়।
NID
দিয়ে
রেজিস্ট্রেশন
করে
যাত্রার
তারিখ
নির্বাচন
করে
পেমেন্ট
করলে
টিকিট
কনফার্ম
হয়।
৪. একই দিনে টিকিট পাওয়া যায় কি?
হ্যাঁ, তবে ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে টিকিট সাধারণত খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়—বিশেষ করে AC বা স্নিগ্ধা ক্লাসের। যাত্রার আগেই টিকিট বুক করা ভালো।
আরো পড়ুন : রসুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
৫. টিকিট রিফান্ড বা পরিবর্তন করা যায় কি?
হ্যাঁ,
নির্দিষ্ট
নিয়মে
টিকিট
বাতিল
বা সময়
পরিবর্তন
করা
যায়।
অনলাইন
টিকিটের
ক্ষেত্রে—কাটা
টিকিটের
সময়
অনুযায়ী
চার্জ
কেটে
রিফান্ড
দেওয়া
হয়।
৬. রাতের ট্রেনে ভ্রমণ কি নিরাপদ?
বাংলাদেশ
রেলওয়ে
রাতের
ট্রেন
চালালেও—নিজের
জিনিসপত্র
নিরাপদে
রাখা,
জানালা
বন্ধ
রাখা
এবং
বার্থ
কোচে
সতর্ক
থাকা
জরুরি।
সাধারণভাবে
নিরাপদ,
তবে
সচেতন
থাকাই
ভালো।
৭. ট্রেনে খাবার পাওয়া যায় কি?
হ্যাঁ—বেশিরভাগ
আন্তঃনগর
ট্রেনে
খাবার
সার্ভিস
থাকে।
তবে
গুণগত
মান
সবসময়
একই না
হওয়ায়
সাথে
পানি ও
হালকা
নাস্তা
রাখা
ভাল।
৮. যাত্রার কতক্ষণ আগে স্টেশনে পৌঁছানো উচিত?
কমলাপুর
বা
চট্টগ্রাম
স্টেশনে
৩০–৪৫
মিনিট
আগে
পৌঁছানোর
পরামর্শ
দেওয়া
হয়।
উৎসব
বা
ভিড়ের
দিনে ১
ঘণ্টা
আগে
পৌঁছানো
ভালো।
৯. কোন শ্রেণী/কোচ সবচেয়ে আরামদায়ক?
-
দিনের ভ্রমণে: Snigdha বা AC Chair
-
রাতের ভ্রমণে: AC Berth / First Berth
-
বাজেট আরামে: Shovon Chair
১০. ট্রেনে লাগেজ বহন সীমা কত?
সাধারণত
২০–২৫
কেজি
পর্যন্ত
লাগেজে
অতিরিক্ত
চার্জ
লাগে
না।
ভারী
মালামাল
হলে
অতিরিক্ত
চার্জ
লাগতে
পারে।
১১. ট্রেন দেরি করলে কী করা উচিত?
স্টেশন
ঘোষণায়
নজর
রাখুন।
কুয়াশা
বা
রক্ষণাবেক্ষণের
সময়
দেরি
স্বাভাবিক।
অনলাইন
আপডেটেও
সময়
জানতে
পারবেন।
১২. ঢাকা–চট্টগ্রাম ট্রেনে পোষা প্রাণী নেওয়া যায় কি?
পোষা
প্রাণী
নেওয়া
সাধারণত
অনুমোদিত
নয়—
বিশেষ
পারমিশন
লাগতে
পারে
এবং
বেশিরভাগ
ক্ষেত্রে
নিতে
দেওয়া
হয় না।
১৩. টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠলে কী হয়?
টিকিট ছাড়া ভ্রমণ আইনত অপরাধ। জরিমানা এবং অতিরিক্ত ফি দিতে হতে পারে।
১৪. শিশুদের টিকিট লাগে কি?
৩
বছরের
কম
বয়সী
শিশুদের
টিকিট
লাগে
না।
৩
বছরের
বেশি
হলে
স্বাভাবিক
ভাড়া
প্রযোজ্য।
১৫. জানালার পাশে সিট কীভাবে পাওয়া যায়?
অনলাইনে
সিট
নির্বাচন
সুবিধা
থাকলে
বুকিংয়ের
সময়
সিট
পছন্দ
করুন।
যদি
দেখা
না
যায়,
দ্রুত
বুকিং
করাই
জানালার
সিট
পাওয়ার
সম্ভাবনা
বাড়ায়।
আরো পড়ুন : চুইঝাল গাছ চেনার উপায়
📝 শেষ কথা
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন ভ্রমণ সব দিক থেকে নিরাপদ, আরামদায়ক এবং সাশ্রয়ী। সঠিক সময়সূচি জানা, আগেভাগে টিকিট কাটা, উপযুক্ত কোচ নির্বাচন করা এবং কিছু সাধারণ সতর্কতা মেনে চললে আপনার যাত্রা হবে আরও আনন্দময় ও ঝামেলামুক্ত। আধুনিক রেলওয়ে পরিষেবা,
অনলাইনটিকিট ব্যবস্থা ও উন্নত কোচ সুবিধার কারণে এই রুটে ট্রেন ভ্রমণ এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ।আশা করি এই গাইডে দেওয়া তথ্যগুলো আপনাকে আপনার পরবর্তী ট্রেন ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে। চট্টগ্রামের ব্যস্ত নগরী, নৈসর্গিক সমুদ্রসৈকত বা ব্যবসায়িক কাজ—যে কারণেই
যাত্রা হোক, রেলপথ সবসময়ই একটি নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। নিরাপদে ভ্রমণ করুন, নিজের জিনিসপত্রের যত্ন নিন, আর উপভোগ করুন একটি আরামদায়ক যাত্রা।

.webp)
.webp)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url