লাউ শাকের উপকারিতা
লাউ আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সবজি। কিন্তু লাউয়ের ফলের পাশাপাশি এর শাকও (লাউ শাক বা লাউ গাছের ডগা/পাতা) সমানভাবে পুষ্টিকর ও ঔষধিগুণে ভরপুর। অনেকেই লাউ শাকের উপকারিতা
সম্পর্কে জানেন না, অথচ এই শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খাদ্যআঁশ এবং শরীরের জন্য অত্যন্ত দরকারি ফাইটো–নিউট্রিয়েন্ট। লাউ শাক শুধু সুস্বাদুই নয়, এটি শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়, দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমশক্তি উন্নত করে, ত্বক ভালো রাখে এবং শরীরকে চাঙ্গা রাখে।
এই প্রবন্ধে লাউ শাকের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য–উপকারিতা, খাদ্যব্যবহার, রোগপ্রতিরোধ বৈশিষ্ট্য, ওজন কমাতে ভূমিকা, সৌন্দর্যচর্চায় ব্যবহার, সতর্কতা, সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং আরও নানা বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হলো
পেজ সূচিপএ : লাউ শাকের উপকারিতা
লাউ শাকের পরিচয় ও ইতিহাস
লাউ বাংলাদেশ, ভারত, নেপালসহ দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সবজি। সাধারণত লাউয়ের ফল রান্নায় ব্যবহৃত হয়, তবে এর পাতা, কাণ্ড, ডগা এবং লতাগুলোও শাক হিসেবে খাওয়া যায়। লাউ একটি Creeper plant, যা মাটির উপর বা মাচায় ছেয়ে বেড়ে ওঠে। প্রাচীন আয়ুর্বেদে লাউ শাককে "শরীরের শীতলকারী সবজি" বলা হতো, কারণ এর ডগা ও পাতা শরীরের ভেতরকার উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
প্রাচীন যুগে লাউ শাকের ব্যবহার ছিল নানা চিকিৎসায়—ব্যথা কমানো, রক্ত পরিষ্কার করা, হজমশক্তি বাড়ানো এবং উষ্ণ আবহাওয়ায় শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য। সময়ের সাথে সাথে আধুনিক পুষ্টিবিদ্যার গবেষণাও প্রমাণ করেছে যে লাউয়ের শাক আসলেই অসাধারণ উপকারি।
লাউ শাকের পুষ্টিগুণ (Nutrition Profile)
লাউ শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, প্রোটিন ও বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। প্রতি ১০০ গ্রাম লাউ শাকের আনুমানিক পুষ্টিগুণ:
-
ভিটামিন A – চোখের জন্য অত্যন্ত কার্যকর
-
ভিটামিন C – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
-
ভিটামিন K – রক্ত জমাট বাঁধা ও হাড়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
-
ভিটামিন B কমপ্লেক্স – স্নায়ুতন্ত্র ও বিপাকক্রিয়া উন্নত করে
-
আয়রন (লোহা) – রক্তস্বল্পতা দূর করে
-
ক্যালসিয়াম – হাড় ও দাঁত মজবুত করে
-
ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম – হৃদযন্ত্র ও পেশির জন্য প্রয়োজনীয়
-
খাদ্যআঁশ (Dietary Fiber) – হজম উন্নত করে
-
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (Flavonoids & Polyphenols) – শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি–র্যাডিক্যাল দূর করে
-
অল্প পরিমাণ প্রোটিন – শরীর গঠনে সাহায্য করে
-
ফাইটো–নিউট্রিয়েন্টস – প্রদাহ কমায়
লাউ শাকের ক্যালরি অত্যন্ত কম, কিন্তু পুষ্টিগুণ খুব বেশি—যা এটিকে ডায়েটারি খাবার হিসেবে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করেছে।
লাউ শাকের বিভিন্ন স্বাস্থ্য–উপকারিতা
৩.১ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
লাউ শাকে থাকা ভিটামিন C ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত লাউ শাক খেলে শরীর ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও ইন্সফেকশনের বিরুদ্ধে ভালোভাবে লড়াই করতে পারে।
৩.২ হজমশক্তি উন্নত করে
খাদ্যআঁশ সমৃদ্ধ লাউ শাক—
-
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
-
হজমশক্তি বাড়ায়
-
এসিডিটি কমায়
-
পেট পরিষ্কার রাখে
যাদের গ্যাস্ট্রিক, বদহজম বা পেটে জ্বালাপোড়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য লাউ শাক অত্যন্ত উপকারী।
৩.৩ রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) দূর করে
লাউ শাকে প্রচুর আয়রন রয়েছে, যা শরীরে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। বিশেষ করে—
-
গর্ভবতী নারী
-
কিশোরী মেয়ে
-
বয়স্ক নারী
-
ডায়াবেটিক রোগী
—যাদের রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি বেশি, তাদের জন্য লাউ শাক অত্যন্ত উপযোগী।
৩.৪ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
লাউ শাকে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত খেলে—
-
রক্তে গ্লুকোজ স্থিতিশীল থাকে
-
অতিরিক্ত শর্করা জমা হয় না
-
ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নত হয়
ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য লাউ শাক একটি নিরাপদ খাদ্য।
৩.৫ হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
লাউ শাকে থাকা পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম—
-
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
-
হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতা কমায়
-
রক্তনালী পরিষ্কার রাখে
এছাড়া এতে ফ্যাট নেই বললেই চলে, যা হৃদরোগীদের জন্য উপকারী।
৩.৬ চোখের জন্য উপকারী
ভিটামিন A থাকার কারণে লাউ শাক—
-
চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
-
নাইট ব্লাইন্ডনেস কমায়
-
চোখ শুকিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে
-
বয়সজনিত চোখের সমস্যা কমায়
বয়স্কদের চোখের সুস্থতার জন্য লাউ শাক অত্যন্ত কার্যকর।
৩.৭ ওজন কমাতে সহায়ক
লাউ শাকে ক্যালরি কম, কিন্তু ফাইবার বেশি। ফলে—
-
দ্রুত পেট ভরে
-
ক্ষুধা কম লাগে
-
অতিরিক্ত খাবার খাওয়া কমে
-
মেদ ঝরানো সহজ হয়
যারা ওজন কমানোর ডায়েট করছেন, তাদের জন্য লাউ শাক একটি উপযুক্ত খাবার।
৩.৮ ত্বক ও সৌন্দর্যের জন্য উপকারী
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন C থাকার কারণে লাউ শাক—
-
ত্বক উজ্জ্বল করে
-
রিঙ্কেল ও বয়সের ছাপ কমায়
-
ত্বকের প্রদাহ কমিয়ে ব্রণ কমায়
-
ত্বকে কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে
নিয়মিত খেলে ত্বক স্বাভাবিকভাবেই ভালো থাকে।
৩.৯ হাড় ও দাঁত মজবুত করে
ক্যালসিয়াম, ভিটামিন K ও ম্যাগনেসিয়াম—
-
হাড় শক্তিশালী করে
-
হাড় ক্ষয় ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে
-
দাঁতের এনামেল শক্ত করে
শিশু, বয়স্ক এবং গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
৩.১০ শরীর ঠাণ্ডা রাখে ও ডিহাইড্রেশন কমায়
লাউ শাকে শীতলকারী গুণ রয়েছে। গরমে শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমায় এবং শরীরকে সতেজ রাখে। গরমকালে লাউ শাক খেলে ক্লান্তি কমে, শরীর ডিহাইড্রেশন থেকে সুরক্ষিত থাকে।
৩.১১ প্রদাহ ও ব্যথা কমায়
এতে থাকা Phytochemicals শরীরের—
-
জয়েন্টের ব্যথা
-
স্নায়ুর ব্যথা
-
পেশির ব্যথা
-
প্রদাহজনিত সমস্যার
ঝুঁকি কমাতে কাজ করে।
লাউ শাক কীভাবে ও কেন খাওয়া উচিত?
৪.১ রান্নার জনপ্রিয় পদ্ধতি
-
লাউ শাক ভাজি
-
লাউ শাক ভর্তা
-
লাউ ডাঁটা–শাক ঝোল
-
চিংড়ি দিয়ে লাউ শাক
-
মুড়িঘণ্টের মতো মিশ্র রেসিপি
৪.২ কোন শাকটি ভালো?
-
তাজা সবুজ পাতা
-
কচি ডগা
-
নরম ডাঁটা
-
পোকামাকড়মুক্ত পাতা
৪.৩ কোন সময় খাওয়া ভালো?
-
দুপুরে
-
গরমের দিনে
-
ডায়েট কালে
-
অসুস্থ অবস্থায় (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)
লাউ শাকের ঔষধিগুণ
লাউ শাকে রয়েছে প্রাকৃতিক হরমোন ব্যালান্সার, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান এবং এন্টি–ইনফ্লেমেটরি কম্পাউন্ড। এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঔষধিগুণ—
-
রক্ত পরিষ্কার করে
-
ত্বকের ফোঁড়া–ফুসকুড়ি কমায়
-
শরীরের টক্সিন বের করে দেয়
-
শ্বাসকষ্টে উপকারী
-
পাইলস কমাতে সাহায্য করে
-
লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়
লাউ শাকের সৌন্দর্যচর্চায় ব্যবহার
৬.১ ত্বকের জন্য মাস্ক
-
লাউ শাকের রস
-
মধু
-
কাঁচা দই
একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগালে ত্বক উজ্জ্বল হয়।
৬.২ চুলের জন্য পুষ্টি
লাউ শাকের রসে—
-
খুশকি কমে
-
চুল পড়া কমে
-
স্ক্যাল্প ঠাণ্ডা থাকে
লাউ শাকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা
যদিও লাউ শাক অত্যন্ত উপকারী, তবে—
-
অতিরিক্ত কাঁচা শাক না খাওয়া
-
যাদের Allergic Reaction আছে তারা সাবধানে
-
অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে ঢেকুর বা গ্যাস্ট্রিক হতে পারে
-
কীটনাশকযুক্ত শাক অবশ্যই ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে
লাউ শাক সংরক্ষণ ও পরিষ্কার করার নিয়ম
-
শাক ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন
-
পলিব্যাগে বা এয়ারটাইট কনটেইনারে রাখুন
-
ফ্রিজে ২–৩ দিন তাজা থাকবে
-
রান্নার আগে লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিলে পোকামাকড় দূর হয়
গর্ভাবস্থায় লাউ শাক খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় মায়ের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ভিটামিন, খনিজ ও পুষ্টিকর খাবার থাকা জরুরি। লাউ শাক এমন একটি দেশি শাক যা গর্ভবতী নারীর জন্য অত্যন্ত নিরাপদ ও উপকারী—যদি পরিষ্কার এবং সঠিকভাবে রান্না করে খাওয়া হয়। এতে থাকা আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন A, ভিটামিন C, ফাইবারসহ নানা পুষ্টিগুণ মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১. রক্তস্বল্পতা কমায় ও হিমোগ্লোবিন বাড়ায়
গর্ভাবস্থায় অনেক মা অ্যানিমিয়া (রক্তস্বল্পতা)–তে ভোগেন। লাউ শাকে প্রচুর আয়রন ও ফোলেট থাকে, যা—
-
রক্ত তৈরি করে
-
হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়
-
বাচ্চার মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে সাহায্য করে
২. হাড় ও দাঁত মজবুত করে
লাউ শাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন K রয়েছে, যা—
-
গর্ভের শিশুর হাড় ও দাঁতের গঠনে সহায়তা করে
-
মায়ের হাড় ক্ষয় (Bone loss) প্রতিরোধ করে
-
পেশির খিঁচুনি কমায়
৩. হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
গর্ভাবস্থায় হরমোন পরিবর্তনের কারণে অনেক নারীর কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। লাউ শাকে থাকা খাদ্যআঁশ (Fiber)—
-
হজমশক্তি বাড়ায়
-
গ্যাস ও অ্যাসিডিটি কমায়
-
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
-
পেট পরিষ্কার ও আরামদায়ক রাখে
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
লাউ শাকে উচ্চমাত্রার ভিটামিন C, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটো–নিউট্রিয়েন্ট থাকে, যা—
-
সংক্রমণ থেকে মা ও শিশুকে সুরক্ষিত রাখে
-
শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
-
ঠাণ্ডা–জ্বর হওয়ার ঝুঁকি কমায়
৫. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
পটাসিয়াম সমৃদ্ধ লাউ শাক—
-
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
-
গর্ভাবস্থার জটিলতা (High BP, Preeclampsia) কমাতে সাহায্য করে
-
হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে
৬. শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক
লাউ শাকে থাকা—
-
ভিটামিন A
-
ভিটামিন B কমপ্লেক্স
-
লোহা
-
ক্যালসিয়াম
-
ম্যাগনেসিয়াম
—গর্ভের শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত উপকারী।
৭. শরীর ঠাণ্ডা ও সতেজ রাখে
গর্ভাবস্থায় শরীরে তাপমাত্রা বাড়ে। লাউ শাকে প্রাকৃতিক শীতলকারী গুণ রয়েছে, যা—
-
শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে
-
ক্লান্তি কমায়
-
ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করে
৮. গর্ভকালীন ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
লাউ শাক—
-
কম ক্যালরি
-
বেশি ফাইবার
-
বেশি মিনারেল
—যুক্ত হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি কমায়।
৯. রক্ত পরিশোধন ও টক্সিন দূর করে
লাউ শাকে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট—
-
শরীরের টক্সিন দূর করে
-
রক্ত পরিষ্কার রাখে
-
ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখে
✔ গর্ভাবস্থায় লাউ শাক খাওয়ার আগে কিছু সতর্কতা
-
ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে যেন কীটনাশক বা মাটি না থাকে।
-
কাঁচা শাক একদম খাবেন না। ভালোভাবে সেদ্ধ/রান্না করুন।
-
যাদের গ্যাস্ট্রিক বা অ্যালার্জি আছে, তারা অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করুন।
-
কোন সমস্যা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
উপসংহার
লাউ শাক আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার মতো একটি অসাধারণ পুষ্টিকর খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার যা শরীরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ–প্রত্যঙ্গকে সুরক্ষা দেয়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজম শক্তি উন্নত করে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে, ত্বক ও চুল সুস্থ রাখে এবং ওজন কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
স্বল্পমূল্যের এই দেশি শাক আমাদের পরিবারের সকল সদস্যের জন্যই উপকারী। তাই স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য লাউ শাক নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।

.jpg)
.jpg)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url