সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট এর কাজ কি
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে সঠিক ও সুষম খাদ্য গ্রহণ অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। কাজের
চাপ, মানসিক দুশ্চিন্তা, অনিয়মিত খাবার, অসুস্থতা বা বিশেষ শারীরিক অবস্থার কারণে
শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও
এই ব্লগ পোস্টে আমরা সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট এর কাজ কি, এর উপকারিতা, উপাদান, কারা ব্যবহার করতে পারেন, সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, সতর্কতা এবং প্রয়োজনীয় কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। এই লেখা সম্পূর্ণ কপিরাইট ফ্রি এবং সাধারণ তথ্যভিত্তিক।
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট এর কাজগুলো নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো:
১. ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি পূরণ
শরীরের জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেল প্রয়োজন। খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। সুপ্রাভিট এম শরীরের সেই ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে।
২. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
ভিটামিন C, ভিটামিন E, জিঙ্ক ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে শরীর সংক্রমণ ও অসুস্থতার বিরুদ্ধে ভালোভাবে লড়াই করতে পারে।
৩. দুর্বলতা ও ক্লান্তি দূর করা
দীর্ঘদিন দুর্বলতা, অবসাদ বা ক্লান্তি অনুভব করলে তার একটি বড় কারণ হতে পারে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স বা আয়রনের ঘাটতি। সুপ্রাভিট এম শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে এবং দৈনন্দিন কাজের জন্য শরীরকে সতেজ রাখে।
৪. স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা
ভিটামিন B1, B6 ও B12 স্নায়ুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৫. হাড় ও দাঁত মজবুত রাখা
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেটে থাকা ক্যালসিয়াম, ভিটামিন D ও ম্যাগনেসিয়াম হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত রাখতে সহায়ক। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ ও নারীদের জন্য এটি উপকারী হতে পারে।
৬. রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক
আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন B12 রক্ত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই উপাদানগুলো রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৭. ত্বক, চুল ও নখের যত্নে ভূমিকা
ভিটামিন A, C, E এবং বায়োটিন ত্বক উজ্জ্বল রাখতে, চুল পড়া কমাতে এবং নখ মজবুত করতে সাহায্য করে।
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেটে সাধারণত যেসব উপাদান থাকে তা হলো:
ভিটামিন A
ভিটামিন B1, B2, B6, B12
নিয়াসিনামাইড
ফলিক অ্যাসিড
ভিটামিন C
ভিটামিন D
ভিটামিন E
ক্যালসিয়াম
আয়রন
জিঙ্ক
ম্যাগনেসিয়াম
কপার ও অন্যান্য ট্রেস মিনারেল
উপাদানের মাত্রা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
কারা সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট ব্যবহার করতে পারেন?
সাধারণত নিচের ক্ষেত্রে সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয়:
দীর্ঘদিন শারীরিক দুর্বলতা বা ক্লান্তি অনুভব করলে
অপুষ্টি বা পুষ্টির ঘাটতি থাকলে
অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার সময়
বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
অতিরিক্ত মানসিক বা শারীরিক পরিশ্রমে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য
অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস থাকলে
তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উত্তম।
১. শরীরকে সক্রিয় ও কর্মক্ষম রাখে ২. মানসিক চাপ ও অবসাদ কমাতে সহায়তা করে ৩. ক্ষুধা ও হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে ৪. দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে
সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণত সুপ্রাভিট এম নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হলেও কিছু ক্ষেত্রে সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, যেমন:
বমি বমি ভাব
পেটের অস্বস্তি
কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
মাথাব্যথা
এ ধরনের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা
নির্ধারিত মাত্রার বেশি সেবন করা উচিত নয়
গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না
অন্য কোনো ওষুধ সেবনের সাথে একসাথে নেওয়ার আগে পরামর্শ নেওয়া উচিত
শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
সুপ্রাভিট এম কি প্রতিদিন খাওয়া যায়?
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রতিদিন খাওয়া যেতে পারে।
এটি কি ওজন বাড়ায়?
সুপ্রাভিট এম সরাসরি ওজন বাড়ায় না, তবে ক্ষুধা ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।
এটি কি পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য উপযোগী?
হ্যাঁ, সাধারণত উভয়ের জন্যই উপযোগী।
✔ সাধারণ নিয়ম
দিনে ১টি ট্যাবলেট
খাবারের পরে (সাধারণত সকালের নাস্তা বা দুপুরের খাবারের পরে)
এক গ্লাস পানির সাথে গিলে খেতে হবে
চিবানো বা ভেঙে খাওয়া যাবে না
✔ কতদিন খাওয়া যাবে?
সাধারণত ১–৩ মাস খাওয়া হয়
রোগীভেদে সময়কাল ভিন্ন হতে পারে
দীর্ঘদিন খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত
✔ কোন সময় খাওয়া ভালো?
সকালে বা দুপুরে খাওয়া সবচেয়ে ভালো
রাতে খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এতে কিছু মানুষের গ্যাস্ট্রিক বা অস্বস্তি হতে পারে
✔ বিশেষ ক্ষেত্রে
নিচের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন—
গর্ভবতী নারী
স্তন্যদানকারী মা
কিডনি বা লিভারের রোগী
অন্য কোনো ভিটামিন/ওষুধ নিয়মিত খেলে
✔ বেশি খেলে কি সমস্যা হয়?
হ্যাঁ, নির্ধারিত মাত্রার বেশি খেলে হতে পারে—
বমি বমি ভাব
পেট ব্যথা
মাথা ঘোরা
কোষ্ঠকাঠিন্য
👉 তাই নিজে নিজে ডোজ বাড়াবেন না
✔ শিশুদের ক্ষেত্রে
শিশুদের জন্য সাধারণত Supravit M উপযুক্ত নয়
শিশুদের আলাদা মাল্টিভিটামিন প্রয়োজন হয়
সংক্ষেপে মনে রাখুন
বিষয় নিয়ম
ডোজ দিনে ১টি
সময় খাবারের পরে
পানির সাথে হ্যাঁ
ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজনীয়
✅ সুপ্রাভিট এম এর উপকারিতা
সুপ্রাভিট এম একটি মাল্টিভিটামিন ও মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট, যা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।
১. শরীরের দুর্বলতা দূর করে
ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স ও মিনারেল শরীরে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, ফলে ক্লান্তি ও অবসাদ কমে।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
ভিটামিন C, E ও জিঙ্ক শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে।
৩. রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) প্রতিরোধে সহায়ক
আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন B12 রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।
৪. স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে
ভিটামিন B1, B6 ও B12 স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখতে সহায়তা করে।
৫. হাড় ও দাঁত মজবুত করে
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D হাড়ের শক্তি বাড়ায়।
৬. ত্বক, চুল ও নখের যত্নে সহায়ক
ভিটামিন A, C, E ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
৭. অসুস্থতার পর শরীর দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে
দীর্ঘ অসুস্থতা বা অপারেশনের পর শরীরের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে উপকারী।
❌ সুপ্রাভিট এম এর অপকারিতা (পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া)
সাধারণত নিরাপদ হলেও কিছু ক্ষেত্রে নিচের সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে—
১. পেটের সমস্যা
বমি বমি ভাব
পেট ব্যথা
গ্যাস্ট্রিক
কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
২. মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
বিশেষ করে খালি পেটে খেলে হতে পারে।
৩. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে সমস্যা
দীর্ঘদিন বা বেশি ডোজে খেলে—
ভিটামিন জমে বিষক্রিয়া
লিভার বা কিডনির ওপর চাপ পড়তে পারে
৪. অ্যালার্জির সম্ভাবনা
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে চুলকানি, র্যাশ বা অস্বস্তি হতে পারে (দুর্লভ)
⚠️ ব্যবহারের আগে সতর্কতা
নির্ধারিত ডোজের বেশি খাবেন না
গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না
কিডনি, লিভার বা হৃদরোগ থাকলে সতর্ক থাকুন
অন্য মাল্টিভিটামিন একসাথে খাবেন না
📌 সংক্ষেপে
উপকারিতা:
✔ দুর্বলতা দূর করে
✔ ইমিউনিটি বাড়ায়
✔ রক্ত ও হাড়ের জন্য ভালো
অপকারিতা:
❌ পেটের সমস্যা
❌ অতিরিক্ত খেলে ক্ষতিকর
🟡 স্ট্রিপ ভিত্তিতে দাম
📌 15টি ক্যাপসুল/ট্যাবলেটের স্ট্রিপ
🔹 বাজারে ৳৫০ – ৳৫৫ এর মধ্যে পাওয়া যায় 💊
কিছু অনলাইন ফার্মেসিতে এটি ৳৫০ এর কাছাকাছি ডিল হিসাবেও দেওয়া হয়
👉 অর্থাৎ সাধারণ ফার্মেসি বা অনলাইন দোকানে 1 স্ট্রিপ নিতে গেলে
৳৫০ – ৳৫৫ (পাঁচাশ টাকার মতো) বাজেট রাখা যথেষ্ট।
📌 ব্যাচ বা প্যাকেজে ও ভিন্ন ভিন্ন দাম
📍 কিছু দোকানে 10টাকার প্যাক বা 10 ট্যাবলেট সংস্করণও থাকে, যার দাম ৳৩০-৳৪০ এর মতো কম হয়
📍 60 পিস বা বড় প্যাক থাকলে সেটি অনলাইন বা বিশেষ দোকানে বড় প্যাক হিসেবে আলাদা মূল্য ধার্য থাকে (যেমন 60 পিসের দাম অনলাইন সাইটে আলাদা করা থাকে)
🧠 দাম কেন ভিন্ন হয়?
সুপ্রাভিট এমের দাম একই থাকে না—এটি কয়েকটি কারণে ভিন্ন হতে পারে:
✅ দোকান বা শহরের অবস্থান অনুযায়ী
✅ অনলাইন vs অফলাইন (ফার্মেসি)
✅ কূপন-ডিসকাউন্ট বা বিক্রেতার অফার
✅ প্যাক সাইজ (10, 15 বা 60 ট্যাবলেট)
💡 তাই সর্বদা দাম দোকানে জেনে নিলে সবচেয়ে নির্ভুল প্রাইস পাওয়া যায়।
📌 টিপস
✔️ সবসময় লাইসেন্সধারী ওষুধ দোকান থেকে কিনুন
✔️ অনলাইন কেনাকাটায় রেট দেখে তুলনা করুন
✔️ বিকাশ/অনলাইন পেমেন্টে ডিসকাউন্ট পেতে পারেন
মিনারেলের ঘাটতি দেখা দেয়। এই ঘাটতি পূরণে চিকিৎসকের
পরামর্শে অনেক সময় মাল্টিভিটামিন ও মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
সুপ্রাভিট এম (Supravit M) ট্যাবলেট এমনই একটি জনপ্রিয়
মাল্টিভিটামিন-মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট, যা শরীরের বিভিন্ন পুষ্টির ঘাটতি পূরণে
সহায়ক ভূমিকা রাখে।
এই ব্লগ পোস্টে আমরা সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট এর কাজ কি, এর উপকারিতা, উপাদান, কারা ব্যবহার করতে পারেন, সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, সতর্কতা এবং প্রয়োজনীয় কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। এই লেখা সম্পূর্ণ কপিরাইট ফ্রি এবং সাধারণ তথ্যভিত্তিক।
পেজ সূচিপএ : সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট এর কাজ কি
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট কী?
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট একটি মাল্টিভিটামিন ও মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভিটামিন (যেমন ভিটামিন A, B-কমপ্লেক্স, C, D, E) এবং গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল (যেমন আয়রন, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি) নির্দিষ্ট মাত্রায় থাকে। এটি মূলত শরীরের পুষ্টিগত ঘাটতি পূরণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং দৈনন্দিন শারীরিক ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট এর প্রধান কাজ
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট এর কাজগুলো নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো:
১. ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি পূরণ
শরীরের জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেল প্রয়োজন। খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। সুপ্রাভিট এম শরীরের সেই ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে।
২. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
ভিটামিন C, ভিটামিন E, জিঙ্ক ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে শরীর সংক্রমণ ও অসুস্থতার বিরুদ্ধে ভালোভাবে লড়াই করতে পারে।
৩. দুর্বলতা ও ক্লান্তি দূর করা
দীর্ঘদিন দুর্বলতা, অবসাদ বা ক্লান্তি অনুভব করলে তার একটি বড় কারণ হতে পারে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স বা আয়রনের ঘাটতি। সুপ্রাভিট এম শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে এবং দৈনন্দিন কাজের জন্য শরীরকে সতেজ রাখে।
৪. স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা
ভিটামিন B1, B6 ও B12 স্নায়ুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৫. হাড় ও দাঁত মজবুত রাখা
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেটে থাকা ক্যালসিয়াম, ভিটামিন D ও ম্যাগনেসিয়াম হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত রাখতে সহায়ক। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ ও নারীদের জন্য এটি উপকারী হতে পারে।
৬. রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক
আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন B12 রক্ত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই উপাদানগুলো রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।
৭. ত্বক, চুল ও নখের যত্নে ভূমিকা
ভিটামিন A, C, E এবং বায়োটিন ত্বক উজ্জ্বল রাখতে, চুল পড়া কমাতে এবং নখ মজবুত করতে সাহায্য করে।
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট এর উপাদানসমূহ
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেটে সাধারণত যেসব উপাদান থাকে তা হলো:
ভিটামিন A
ভিটামিন B1, B2, B6, B12
নিয়াসিনামাইড
ফলিক অ্যাসিড
ভিটামিন C
ভিটামিন D
ভিটামিন E
ক্যালসিয়াম
আয়রন
জিঙ্ক
ম্যাগনেসিয়াম
কপার ও অন্যান্য ট্রেস মিনারেল
উপাদানের মাত্রা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
কারা সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট ব্যবহার করতে পারেন?
সাধারণত নিচের ক্ষেত্রে সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয়:
দীর্ঘদিন শারীরিক দুর্বলতা বা ক্লান্তি অনুভব করলে
অপুষ্টি বা পুষ্টির ঘাটতি থাকলে
অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার সময়
বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
অতিরিক্ত মানসিক বা শারীরিক পরিশ্রমে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য
অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস থাকলে
তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উত্তম।
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট এর সম্ভাব্য উপকারিতা
১. শরীরকে সক্রিয় ও কর্মক্ষম রাখে ২. মানসিক চাপ ও অবসাদ কমাতে সহায়তা করে ৩. ক্ষুধা ও হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে ৪. দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে
সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণত সুপ্রাভিট এম নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হলেও কিছু ক্ষেত্রে সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, যেমন:
বমি বমি ভাব
পেটের অস্বস্তি
কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
মাথাব্যথা
এ ধরনের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা
নির্ধারিত মাত্রার বেশি সেবন করা উচিত নয়
গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না
অন্য কোনো ওষুধ সেবনের সাথে একসাথে নেওয়ার আগে পরামর্শ নেওয়া উচিত
শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
সুপ্রাভিট এম কি প্রতিদিন খাওয়া যায়?
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রতিদিন খাওয়া যেতে পারে।
এটি কি ওজন বাড়ায়?
সুপ্রাভিট এম সরাসরি ওজন বাড়ায় না, তবে ক্ষুধা ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।
এটি কি পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য উপযোগী?
হ্যাঁ, সাধারণত উভয়ের জন্যই উপযোগী।
সুপ্রাভিট এম এর খাওয়ার নিয়ম
✔ সাধারণ নিয়ম
দিনে ১টি ট্যাবলেট
খাবারের পরে (সাধারণত সকালের নাস্তা বা দুপুরের খাবারের পরে)
এক গ্লাস পানির সাথে গিলে খেতে হবে
চিবানো বা ভেঙে খাওয়া যাবে না
✔ কতদিন খাওয়া যাবে?
সাধারণত ১–৩ মাস খাওয়া হয়
রোগীভেদে সময়কাল ভিন্ন হতে পারে
দীর্ঘদিন খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত
✔ কোন সময় খাওয়া ভালো?
সকালে বা দুপুরে খাওয়া সবচেয়ে ভালো
রাতে খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এতে কিছু মানুষের গ্যাস্ট্রিক বা অস্বস্তি হতে পারে
✔ বিশেষ ক্ষেত্রে
নিচের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন—
গর্ভবতী নারী
স্তন্যদানকারী মা
কিডনি বা লিভারের রোগী
অন্য কোনো ভিটামিন/ওষুধ নিয়মিত খেলে
✔ বেশি খেলে কি সমস্যা হয়?
হ্যাঁ, নির্ধারিত মাত্রার বেশি খেলে হতে পারে—
বমি বমি ভাব
পেট ব্যথা
মাথা ঘোরা
কোষ্ঠকাঠিন্য
👉 তাই নিজে নিজে ডোজ বাড়াবেন না
✔ শিশুদের ক্ষেত্রে
শিশুদের জন্য সাধারণত Supravit M উপযুক্ত নয়
শিশুদের আলাদা মাল্টিভিটামিন প্রয়োজন হয়
সংক্ষেপে মনে রাখুন
বিষয় নিয়ম
ডোজ দিনে ১টি
সময় খাবারের পরে
পানির সাথে হ্যাঁ
ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজনীয়
সুপ্রাভিট এম এর উপকারিতা ও অপকারিতা
✅ সুপ্রাভিট এম এর উপকারিতা
সুপ্রাভিট এম একটি মাল্টিভিটামিন ও মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট, যা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।
১. শরীরের দুর্বলতা দূর করে
ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স ও মিনারেল শরীরে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, ফলে ক্লান্তি ও অবসাদ কমে।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
ভিটামিন C, E ও জিঙ্ক শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে।
৩. রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) প্রতিরোধে সহায়ক
আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন B12 রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।
৪. স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে
ভিটামিন B1, B6 ও B12 স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখতে সহায়তা করে।
৫. হাড় ও দাঁত মজবুত করে
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D হাড়ের শক্তি বাড়ায়।
৬. ত্বক, চুল ও নখের যত্নে সহায়ক
ভিটামিন A, C, E ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
৭. অসুস্থতার পর শরীর দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে
দীর্ঘ অসুস্থতা বা অপারেশনের পর শরীরের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে উপকারী।
❌ সুপ্রাভিট এম এর অপকারিতা (পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া)
সাধারণত নিরাপদ হলেও কিছু ক্ষেত্রে নিচের সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে—
১. পেটের সমস্যা
বমি বমি ভাব
পেট ব্যথা
গ্যাস্ট্রিক
কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
২. মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
বিশেষ করে খালি পেটে খেলে হতে পারে।
৩. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে সমস্যা
দীর্ঘদিন বা বেশি ডোজে খেলে—
ভিটামিন জমে বিষক্রিয়া
লিভার বা কিডনির ওপর চাপ পড়তে পারে
৪. অ্যালার্জির সম্ভাবনা
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে চুলকানি, র্যাশ বা অস্বস্তি হতে পারে (দুর্লভ)
⚠️ ব্যবহারের আগে সতর্কতা
নির্ধারিত ডোজের বেশি খাবেন না
গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না
কিডনি, লিভার বা হৃদরোগ থাকলে সতর্ক থাকুন
অন্য মাল্টিভিটামিন একসাথে খাবেন না
📌 সংক্ষেপে
উপকারিতা:
✔ দুর্বলতা দূর করে
✔ ইমিউনিটি বাড়ায়
✔ রক্ত ও হাড়ের জন্য ভালো
অপকারিতা:
❌ পেটের সমস্যা
❌ অতিরিক্ত খেলে ক্ষতিকর
সুপ্রাভিট এম এর দাম কত
বাংলাদেশে Supravit-M একটি সাধারণ মাল্টিভিটামিন-মাল্টিমিনারেল ট্যাবলেট/ক্যাপসুল হিসেবে ফার্মেসিতে পাওয়া যায় এবং এর দাম সাধারণত নিম্নরূপঃ🟡 স্ট্রিপ ভিত্তিতে দাম
📌 15টি ক্যাপসুল/ট্যাবলেটের স্ট্রিপ
🔹 বাজারে ৳৫০ – ৳৫৫ এর মধ্যে পাওয়া যায় 💊
কিছু অনলাইন ফার্মেসিতে এটি ৳৫০ এর কাছাকাছি ডিল হিসাবেও দেওয়া হয়
👉 অর্থাৎ সাধারণ ফার্মেসি বা অনলাইন দোকানে 1 স্ট্রিপ নিতে গেলে
৳৫০ – ৳৫৫ (পাঁচাশ টাকার মতো) বাজেট রাখা যথেষ্ট।
📌 ব্যাচ বা প্যাকেজে ও ভিন্ন ভিন্ন দাম
📍 কিছু দোকানে 10টাকার প্যাক বা 10 ট্যাবলেট সংস্করণও থাকে, যার দাম ৳৩০-৳৪০ এর মতো কম হয়
📍 60 পিস বা বড় প্যাক থাকলে সেটি অনলাইন বা বিশেষ দোকানে বড় প্যাক হিসেবে আলাদা মূল্য ধার্য থাকে (যেমন 60 পিসের দাম অনলাইন সাইটে আলাদা করা থাকে)
🧠 দাম কেন ভিন্ন হয়?
সুপ্রাভিট এমের দাম একই থাকে না—এটি কয়েকটি কারণে ভিন্ন হতে পারে:
✅ দোকান বা শহরের অবস্থান অনুযায়ী
✅ অনলাইন vs অফলাইন (ফার্মেসি)
✅ কূপন-ডিসকাউন্ট বা বিক্রেতার অফার
✅ প্যাক সাইজ (10, 15 বা 60 ট্যাবলেট)
💡 তাই সর্বদা দাম দোকানে জেনে নিলে সবচেয়ে নির্ভুল প্রাইস পাওয়া যায়।
📌 টিপস
✔️ সবসময় লাইসেন্সধারী ওষুধ দোকান থেকে কিনুন
✔️ অনলাইন কেনাকাটায় রেট দেখে তুলনা করুন
✔️ বিকাশ/অনলাইন পেমেন্টে ডিসকাউন্ট পেতে পারেন
Supravit m খাওয়ার পর কি হয়?
✅ Supravit-M খাওয়ার পর ভালো যে পরিবর্তনগুলো হয়
১. শরীরে শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ে
খাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই অনেকেই লক্ষ্য করেন—
দুর্বলতা কমে
ক্লান্তি কম অনুভূত হয়
দৈনন্দিন কাজ করতে শক্তি বাড়ে
এটি মূলত ভিটামিন B-কমপ্লেক্স এর কারণে হয়।
২. ক্ষুধা কিছুটা বাড়তে পারে
Supravit-M খাওয়ার পর—
হালকা ক্ষুধা বাড়তে পারে
খাবার হজম তুলনামূলক ভালো হয়
বিশেষ করে যাদের খাবারে অনীহা থাকে, তাদের ক্ষেত্রে এটি উপকারী।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়
নিয়মিত খেলে—
সর্দি-কাশি বা সংক্রমণে কম আক্রান্ত হওয়া
শরীর দ্রুত সুস্থ হওয়া
এই সুবিধা আসে ভিটামিন C, E ও জিঙ্ক এর কারণে।
৪. মাথা ও স্নায়ুর কাজ ভালো হয়
কিছুদিন ব্যবহারে—
মনোযোগ বাড়ে
মাথা ভারী ভাব কমে
স্মৃতিশক্তি কিছুটা উন্নত হয়
৫. ত্বক, চুল ও নখে ভালো প্রভাব
দীর্ঘদিন পুষ্টির ঘাটতি থাকলে Supravit-M খাওয়ার পর—
ত্বক উজ্জ্বল হতে পারে
চুল পড়া কিছুটা কমতে পারে
নখ শক্ত হয়
❌ Supravit-M খাওয়ার পর কিছু মানুষের যে সমস্যা হতে পারে
সবাই একই রকম প্রতিক্রিয়া পায় না। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে—
১. পেটের অস্বস্তি
বমি বমি ভাব
গ্যাস্ট্রিক
পেট ব্যথা
👉 সাধারণত খাবারের পরে খেলে এই সমস্যা কম হয়।
২. মাথা ঘোরা বা বমি ভাব
বিশেষ করে—
খালি পেটে খেলে
অতিরিক্ত ডোজ নিলে
৩. কোষ্ঠকাঠিন্য
আয়রন থাকার কারণে কিছু মানুষের—
পায়খানা শক্ত হতে পারে
⚠️ বেশি খেলে কী হয়?
নির্ধারিত মাত্রার বেশি বা দীর্ঘদিন অযথা খেলে—
ভিটামিন জমে বিষক্রিয়া
লিভার বা কিডনির ওপর চাপ পড়তে পারে
👉 তাই দিনে ১টির বেশি নিজে নিজে খাবেন না।
📌 সংক্ষেপে বললে
Supravit-M খাওয়ার পর সাধারণত—
✔ শক্তি বাড়ে
✔ দুর্বলতা কমে
✔ ইমিউনিটি ভালো হয়
কিছু ক্ষেত্রে—
❌ পেটের সমস্যা
❌ মাথা ঘোরা
✅ Supravit-M ত্বকের জন্য কেন ভালো?
Supravit-M একটি মাল্টিভিটামিন-মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট। এতে থাকা কিছু ভিটামিন ও মিনারেল ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১. ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে
ভিটামিন A ও ভিটামিন C ত্বকের কোষ গঠনে সহায়তা করে
ত্বক নিস্তেজ ও শুষ্ক হওয়া কমাতে সাহায্য করে
২. ব্রণ ও ত্বকের প্রদাহ কমাতে সহায়ক
জিঙ্ক ব্রণ কমাতে ও ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
ত্বকের ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে
৩. ত্বকের বার্ধক্য ধীর করে
ভিটামিন E একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
ত্বকে বলিরেখা ও ড্যামেজ কমাতে সাহায্য করে
৪. ত্বক শুষ্কতা ও রুক্ষভাব কমায়
পুষ্টির ঘাটতির কারণে হওয়া শুষ্ক ত্বক ভালো করতে সাহায্য করে
ত্বক নরম ও মসৃণ হয় (ধীরে ধীরে)
৫. ক্ষত সারাতে সহায়ক
ভিটামিন C ও জিঙ্ক ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে
ত্বকের নতুন কোষ তৈরিতে সহায়তা করে
❌ Supravit-M কি সব ধরনের ত্বক সমস্যার সমাধান?
না ❌
এটি—
কোনো ফেয়ারনেস ট্যাবলেট নয়
হরমোনজনিত ব্রণ বা গভীর ত্বকের রোগ সারায় না
তাত্ক্ষণিক ফল দেয় না
👉 এটি মূলত ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে, যার ফলে ত্বক ধীরে ধীরে ভালো হয়।
⚠️ কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে
শুরুতে হালকা ব্রণ উঠতে পারে
তেলতেলে ত্বকে অতিরিক্ত ভিটামিনে ব্রণ বাড়তে পারে
খালি পেটে খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে
🕒 কতদিন খেলে ত্বকে উপকার দেখা যায়?
সাধারণত ৩–৬ সপ্তাহ নিয়মিত খেলে
পুষ্টির ঘাটতি থাকলে ফল বেশি দেখা যায়
📌 ব্যবহার টিপস
✔ দিনে ১টি, খাবারের পরে
✔ পর্যাপ্ত পানি পান করুন
✔ বাইরে গেলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
✔ অতিরিক্ত তেল-মশলা কম খান
🔎 সংক্ষেপে
Supravit-M ত্বকের জন্য ভালো—
✔ যদি ভিটামিনের ঘাটতি থাকে
✔ ত্বক শুষ্ক, নিস্তেজ বা দুর্বল হলে
ভালো নয়—
❌ দ্রুত ফর্সা হওয়ার ওষুধ হিসেবে
❌ তীব্র ত্বকের রোগে একমাত্র সমাধান হিসেবে
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট একটি কার্যকর মাল্টিভিটামিন ও মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট, যা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এটি ব্যবহার করলে শরীর সুস্থ ও সক্রিয় রাখা সম্ভব। তবে মনে রাখতে হবে, এটি কোনো রোগের মূল চিকিৎসা নয়, বরং একটি সহায়ক সাপ্লিমেন্ট মাত্র।
১. শরীরে শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ে
খাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই অনেকেই লক্ষ্য করেন—
দুর্বলতা কমে
ক্লান্তি কম অনুভূত হয়
দৈনন্দিন কাজ করতে শক্তি বাড়ে
এটি মূলত ভিটামিন B-কমপ্লেক্স এর কারণে হয়।
২. ক্ষুধা কিছুটা বাড়তে পারে
Supravit-M খাওয়ার পর—
হালকা ক্ষুধা বাড়তে পারে
খাবার হজম তুলনামূলক ভালো হয়
বিশেষ করে যাদের খাবারে অনীহা থাকে, তাদের ক্ষেত্রে এটি উপকারী।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়
নিয়মিত খেলে—
সর্দি-কাশি বা সংক্রমণে কম আক্রান্ত হওয়া
শরীর দ্রুত সুস্থ হওয়া
এই সুবিধা আসে ভিটামিন C, E ও জিঙ্ক এর কারণে।
৪. মাথা ও স্নায়ুর কাজ ভালো হয়
কিছুদিন ব্যবহারে—
মনোযোগ বাড়ে
মাথা ভারী ভাব কমে
স্মৃতিশক্তি কিছুটা উন্নত হয়
৫. ত্বক, চুল ও নখে ভালো প্রভাব
দীর্ঘদিন পুষ্টির ঘাটতি থাকলে Supravit-M খাওয়ার পর—
ত্বক উজ্জ্বল হতে পারে
চুল পড়া কিছুটা কমতে পারে
নখ শক্ত হয়
❌ Supravit-M খাওয়ার পর কিছু মানুষের যে সমস্যা হতে পারে
সবাই একই রকম প্রতিক্রিয়া পায় না। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে—
১. পেটের অস্বস্তি
বমি বমি ভাব
গ্যাস্ট্রিক
পেট ব্যথা
👉 সাধারণত খাবারের পরে খেলে এই সমস্যা কম হয়।
২. মাথা ঘোরা বা বমি ভাব
বিশেষ করে—
খালি পেটে খেলে
অতিরিক্ত ডোজ নিলে
৩. কোষ্ঠকাঠিন্য
আয়রন থাকার কারণে কিছু মানুষের—
পায়খানা শক্ত হতে পারে
⚠️ বেশি খেলে কী হয়?
নির্ধারিত মাত্রার বেশি বা দীর্ঘদিন অযথা খেলে—
ভিটামিন জমে বিষক্রিয়া
লিভার বা কিডনির ওপর চাপ পড়তে পারে
👉 তাই দিনে ১টির বেশি নিজে নিজে খাবেন না।
📌 সংক্ষেপে বললে
Supravit-M খাওয়ার পর সাধারণত—
✔ শক্তি বাড়ে
✔ দুর্বলতা কমে
✔ ইমিউনিটি ভালো হয়
কিছু ক্ষেত্রে—
❌ পেটের সমস্যা
❌ মাথা ঘোরা
Supravit m কি ত্বকের জন্য ভালো?
✅ Supravit-M ত্বকের জন্য কেন ভালো?
Supravit-M একটি মাল্টিভিটামিন-মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট। এতে থাকা কিছু ভিটামিন ও মিনারেল ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১. ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে
ভিটামিন A ও ভিটামিন C ত্বকের কোষ গঠনে সহায়তা করে
ত্বক নিস্তেজ ও শুষ্ক হওয়া কমাতে সাহায্য করে
২. ব্রণ ও ত্বকের প্রদাহ কমাতে সহায়ক
জিঙ্ক ব্রণ কমাতে ও ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
ত্বকের ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে
৩. ত্বকের বার্ধক্য ধীর করে
ভিটামিন E একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
ত্বকে বলিরেখা ও ড্যামেজ কমাতে সাহায্য করে
৪. ত্বক শুষ্কতা ও রুক্ষভাব কমায়
পুষ্টির ঘাটতির কারণে হওয়া শুষ্ক ত্বক ভালো করতে সাহায্য করে
ত্বক নরম ও মসৃণ হয় (ধীরে ধীরে)
৫. ক্ষত সারাতে সহায়ক
ভিটামিন C ও জিঙ্ক ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে
ত্বকের নতুন কোষ তৈরিতে সহায়তা করে
❌ Supravit-M কি সব ধরনের ত্বক সমস্যার সমাধান?
না ❌
এটি—
কোনো ফেয়ারনেস ট্যাবলেট নয়
হরমোনজনিত ব্রণ বা গভীর ত্বকের রোগ সারায় না
তাত্ক্ষণিক ফল দেয় না
👉 এটি মূলত ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে, যার ফলে ত্বক ধীরে ধীরে ভালো হয়।
⚠️ কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে
শুরুতে হালকা ব্রণ উঠতে পারে
তেলতেলে ত্বকে অতিরিক্ত ভিটামিনে ব্রণ বাড়তে পারে
খালি পেটে খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে
🕒 কতদিন খেলে ত্বকে উপকার দেখা যায়?
সাধারণত ৩–৬ সপ্তাহ নিয়মিত খেলে
পুষ্টির ঘাটতি থাকলে ফল বেশি দেখা যায়
📌 ব্যবহার টিপস
✔ দিনে ১টি, খাবারের পরে
✔ পর্যাপ্ত পানি পান করুন
✔ বাইরে গেলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
✔ অতিরিক্ত তেল-মশলা কম খান
🔎 সংক্ষেপে
Supravit-M ত্বকের জন্য ভালো—
✔ যদি ভিটামিনের ঘাটতি থাকে
✔ ত্বক শুষ্ক, নিস্তেজ বা দুর্বল হলে
ভালো নয়—
❌ দ্রুত ফর্সা হওয়ার ওষুধ হিসেবে
❌ তীব্র ত্বকের রোগে একমাত্র সমাধান হিসেবে
উপসংহার
সুপ্রাভিট এম ট্যাবলেট একটি কার্যকর মাল্টিভিটামিন ও মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্ট, যা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এটি ব্যবহার করলে শরীর সুস্থ ও সক্রিয় রাখা সম্ভব। তবে মনে রাখতে হবে, এটি কোনো রোগের মূল চিকিৎসা নয়, বরং একটি সহায়ক সাপ্লিমেন্ট মাত্র।

.webp)
.webp)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url