কোন ভিটামিনের অভাবে গলা শুকিয়ে যায়
গলা শুষ্ক থাকা শরীরের ভেতরের কোনো ঘাটতির ইঙ্গিতও হতে পারে। বিশেষ করে কিছু ভিটামিন ও খনিজের অভাব গলা শুকিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করে।
এই প্রবন্ধে আমরা কপি রাইট ফ্রি ও তথ্যভিত্তিকভাবে আলোচনা করবো—কোন কোন ভিটামিনের অভাবে গলা শুকিয়ে যায়, সেই ঘাটতির লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও প্রাকৃতিক সমাধান সম্পর্কে। এই লেখাটি ব্লগ, ওয়েবসাইট বা শিক্ষামূলক কাজে
নির্দ্বিধায় ব্যবহার করা যাবে।
পেজসূচি পএ : কোন ভিটামিনের অভাবে গলা শুকিয়ে যায়
-
গলা শুকিয়ে যাওয়া বলতে কী বোঝায়?
-
কোন ভিটামিনের অভাবে গলা শুকিয়
-
কীভাবে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করবেন?
-
গলা শুকিয়ে গেলে কি খেতে হবে
-
রাত্রে গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ
-
ঘন ঘন গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার
-
ঘন ঘন গলা শুকিয়ে যায় কেন
-
শীতকালে গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ
-
হঠাৎ গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ
-
ঘন ঘন প্রস্রাব ও গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ
-
মুখ ও গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারন
গলা শুকিয়ে যাওয়া বলতে বোঝায়
এমন একটি অনুভূতি যেখানে গলায় আর্দ্রতার অভাব থাকে, ঢোক গিলতে কষ্ট হয়, কথা বলতে গেলে খুসখুস বা জ্বালাপোড়া লাগে। অনেক সময় এটি কাশির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, আবার কখনো শুধু শুষ্কতাই প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।
এই সমস্যা যদি ঘন ঘন বা দীর্ঘ সময় ধরে থাকে, তাহলে সেটি অবহেলা না করে শরীরের পুষ্টিগত অবস্থার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
কোন ভিটামিনের অভাবে গলা শুকিয়ে যায়?
গলা শুষ্ক হওয়ার পেছনে একাধিক ভিটামিন ও খনিজের ভূমিকা রয়েছে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
১. ভিটামিন এ-এর অভাব
কেন ভিটামিন এ গুরুত্বপূর্ণ?
ভিটামিন এ আমাদের শরীরের শ্লেষ্মা ঝিল্লি (mucous membrane) সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। গলা, নাক, চোখ ও মুখের ভেতরের অংশে এই শ্লেষ্মা ঝিল্লি আর্দ্রতা বজায় রাখে।
অভাব হলে কী হয়?
ভিটামিন এ-এর অভাব হলে এই শ্লেষ্মা ঝিল্লি শুকিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে—
গলা শুষ্ক লাগে
ঢোক গিলতে কষ্ট হয়
মুখ ও ঠোঁট ফেটে যায়
চোখ শুষ্ক হয়ে যায়
ভিটামিন এ-এর প্রাকৃতিক উৎস
গাজর
মিষ্টি কুমড়া
পালং শাক
লাল শাক
কলিজা
ডিমের কুসুম
২. ভিটামিন বি কমপ্লেক্স-এর অভাব
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স আসলে একাধিক ভিটামিনের সমষ্টি। এর মধ্যে কিছু ভিটামিন গলা শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
ভিটামিন বি২ (রিবোফ্লাভিন)
রিবোফ্লাভিনের অভাব হলে—
গলা ও মুখের ভেতর শুষ্কতা
মুখের কোণে ঘা
জিহ্বা লাল ও ব্যথাযুক্ত হওয়া
ভিটামিন বি৩ (নিয়াসিন)
নিয়াসিনের ঘাটতি হলে মুখ ও গলার ভেতরের ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ঘাটতি থাকলে গলায় জ্বালাপোড়া অনুভূত হয়।
ভিটামিন বি৬ ও বি১২
এই ভিটামিনগুলো স্নায়ু ও রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। অভাব হলে—
গলা শুষ্ক লাগা
ক্লান্তি
মুখে ঘা
ঢোক গিলতে অস্বস্তি
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স-এর উৎস
চালের ভুষি
ডাল
বাদাম
কলা
ডিম
দুধ ও দই
৩. ভিটামিন সি-এর অভাব
ভিটামিন সি কেন জরুরি?
ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং টিস্যু সুস্থ রাখে। এটি গলার ভেতরের অংশকে সংক্রমণ ও শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে।
অভাব হলে কী লক্ষণ দেখা যায়?
গলা খুসখুস করা
শুষ্কতা ও ব্যথা
ঘন ঘন ঠান্ডা লাগা
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
ভিটামিন সি-এর উৎস
লেবু
কমলা
আমলকি
পেয়ারা
টমেটো
৪. ভিটামিন ডি-এর অভাব
ভিটামিন ডি সরাসরি গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ না হলেও, এর অভাব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে বারবার গলা সংক্রমণ ও শুষ্কতা দেখা দিতে পারে।
অভাবের লক্ষণ
বারবার গলা ব্যথা
দুর্বলতা
হাড়ে ব্যথা
ক্লান্তি
উৎস
রোদে থাকা
ডিমের কুসুম
সামুদ্রিক মাছ
৫. জিঙ্ক ও আয়রনের ঘাটতি
যদিও এগুলো ভিটামিন নয়, তবে গলা শুষ্ক হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
জিঙ্কের অভাব হলে
মুখ ও গলা শুষ্ক
স্বাদ কমে যাওয়া
ক্ষত সারতে দেরি হওয়া
আয়রনের অভাব হলে
গলা শুকিয়ে ঢোক গিলতে কষ্ট
দুর্বলতা
মাথা ঘোরা
গলা শুকিয়ে যাওয়ার অন্যান্য কারণ
ভি
টামিনের অভাব ছাড়াও আরও কিছু কারণে গলা শুষ্ক হতে পারে—
পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া
ধূমপান
অতিরিক্ত চা বা কফি পান
দীর্ঘ সময় এসি ব্যবহারে থাকা
ডায়াবেটিস
কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
কীভাবে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করবেন?
১. সুষম খাদ্য গ্রহণ
প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি, ফলমূল, প্রোটিন ও শস্য অন্তর্ভুক্ত করুন।
২. পর্যাপ্ত পানি পান
দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন।
৩
. প্রাকৃতিক উপায়ে গলা আর্দ্র রাখা
কুসুম গরম পানি পান
মধু ও লেবু ব্যবহার
লবণ পানি দিয়ে গার্গল
৪. চিকিৎসকের পরামর্শ
দীর্ঘদিন গলা শুষ্ক থাকলে রক্ত পরীক্ষা করে ভিটামিনের মাত্রা জানা জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে হবে।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
-
গলা শুষ্কতা ২–৩ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে
-
ঢোক গিলতে ব্যথা হলে
-
গলার সঙ্গে জ্বর বা ওজন কমার সমস্যা থাকলে
গলা শুকিয়ে গেলে কি খেতে হবে
💧 ১. পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার
গলা আর্দ্র রাখার জন্য সবচেয়ে জরুরি।
-
কুসুম গরম পানি (বারবার অল্প অল্প করে)
-
ডাবের পানি
-
পাতলা স্যুপ
-
ওআরএস (হালকা)
🍯 ২. মধু
মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।
-
১ চামচ খাঁটি মধু সরাসরি
-
গরম পানিতে মধু ও লেবু মিশিয়ে
👉 দিনে ২–৩ বার খাওয়া যেতে পারে
🍋 ৩. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার
গলার ভেতরের শুষ্কতা ও সংক্রমণ কমায়।
-
লেবু
-
আমলকি
-
পেয়ারা
-
কমলা
-
টমেটো
🥕 ৪. ভিটামিন এ যুক্ত খাবার
গলার ভেতরের শ্লেষ্মা স্তর আর্দ্র রাখে।
-
গাজর
-
মিষ্টি কুমড়া
-
পালং শাক
-
লাল শাক
-
ডিমের কুসুম
🥛 ৫. দুধ ও দই
গলা নরম রাখে এবং আরাম দেয়।
-
কুসুম গরম দুধ
-
টক দই (ঠান্ডা না)
⚠️ সর্দি থাকলে ঠান্ডা দুধ এড়িয়ে চলুন
🍌 ৬. নরম ও সহজপাচ্য খাবার
গলা ব্যথা বা শুষ্ক হলে শক্ত খাবার এড়ানো ভালো।
-
কলা
-
ভাত ও ডাল
-
খিচুড়ি
-
সেদ্ধ সবজি
-
সুজি বা ওটস
🌰 ৭. ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার
গলার শুষ্কতা ও মুখের ঘা কমায়।
-
কলা
-
বাদাম
-
ডাল
-
চালের ভুষি
-
ডিম
❌ গলা শুকিয়ে গেলে কী খাবেন না
-
অতিরিক্ত ঝাল খাবার 🌶️
-
খুব ঠান্ডা খাবার বা আইসক্রিম ❄️
-
অতিরিক্ত চা ও কফি ☕
-
ধূমপান 🚬
-
অ্যালকোহল
🧂 ঘরোয়া উপায় (খাবারের সঙ্গে)
-
দিনে ১–২ বার লবণ পানি দিয়ে গার্গল
-
আদা চা (হালকা)
-
তুলসি পাতা চিবানো
⚠️ কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন
-
২ সপ্তাহের বেশি গলা শুকনো থাকলে
-
ঢোক গিলতে ব্যথা হলে
-
জ্বর বা ওজন কমার সাথে থাকলে
রাত্রে গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ
💧 ১. ঘুমানোর সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া
ঘুমের সময় যদি নাক বন্ধ থাকে বা অভ্যাসবশত মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া হয়, তাহলে—
-
গলার ভেতরের আর্দ্রতা শুকিয়ে যায়
-
সকালে উঠে গলা বেশি শুষ্ক লাগে
কারণ হতে পারে:
-
সর্দি-কাশি
-
নাকের পলিপ
-
নাক বাঁকা (ডেভিয়েটেড সেপটাম)
🌬️ ২. এসি বা ফ্যানের বাতাস
রাতে এসি বা ফ্যান চালিয়ে ঘুমালে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়।
-
শুষ্ক বাতাস গলার ভেতরের পানি শোষণ করে
-
ফলে রাতের শেষে গলা শুকিয়ে যায়
💤 ৩. শরীরে পানির ঘাটতি (ডিহাইড্রেশন)
দিনে পর্যাপ্ত পানি না খেলে রাতে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে।
-
লালা উৎপাদন কমে যায়
-
গলা শুষ্ক অনুভূত হয়
😴 ৪. দীর্ঘ সময় কথা না বলা
রাতে ঘুমের সময় দীর্ঘক্ষণ কথা বলা হয় না।
-
লালা নিঃসরণ কমে
-
স্বাভাবিকভাবেই গলা শুকিয়ে যেতে পারে
🤧 ৫. নাক বন্ধ বা অ্যালার্জি
অ্যালার্জি বা সাইনাস সমস্যায় নাক বন্ধ থাকলে—
-
মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া বাড়ে
-
গলা শুকিয়ে যায়
💊 ৬. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
কিছু ওষুধ গলা শুকিয়ে দিতে পারে, যেমন—
-
অ্যালার্জির ওষুধ (অ্যান্টিহিস্টামিন)
-
উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ
-
ঘুমের ওষুধ
-
ডিপ্রেশন বা উদ্বেগের ওষুধ
🍵 ৭. রাতে চা, কফি বা ক্যাফেইন গ্রহণ
ঘুমানোর আগে চা বা কফি পান করলে—
-
শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়
-
গলা ও মুখ শুষ্ক লাগে
🚬 ৮. ধূমপান বা তামাক সেবন
রাতে বা দিনের বেলা ধূমপান করলে—
-
গলার ভেতরের শ্লেষ্মা স্তর নষ্ট হয়
-
শুষ্কতা ও জ্বালাপোড়া বাড়ে
🩺 ৯. ডায়াবেটিস
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে—
-
মুখ ও গলা শুকিয়ে যায়
-
রাতে বেশি তৃষ্ণা লাগে
🧬 ১০. ভিটামিনের অভাব
বিশেষ করে—
-
ভিটামিন এ
-
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
-
ভিটামিন সি
এর অভাবে গলার ভেতরের আর্দ্রতা কমে যায়।
🛑 কখন সতর্ক হবেন
নিচের লক্ষণগুলো থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন—
-
প্রতিদিন রাতে গলা শুকিয়ে যাওয়া
-
ঢোক গিলতে কষ্ট
-
মুখে ঘা
-
অকারণে ওজন কমা
-
দীর্ঘদিনের কাশি
✅ রাতে গলা শুকানো কমানোর উপায়
-
ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানি পান
-
রুমে হালকা আর্দ্রতা রাখা (পানি ভর্তি পাত্র)
-
নাক পরিষ্কার করে ঘুমানো
-
ধূমপান এড়িয়ে চলা
-
খুব দেরিতে চা-কফি না খাওয়া
-
পাশে পানি রেখে ঘুমানো
ঘন ঘন গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার
💧 ১. শরীরে পানির ঘাটতি (ডিহাইড্রেশন)
-
পর্যাপ্ত পানি না খেলে লালা কম তৈরি হয়
-
ফলে গলা বারবার শুকিয়ে যায়
🌬️ ২. মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস
-
নাক বন্ধ, সাইনাস বা ঘুমের সময় মুখ খোলা থাকলে
-
গলার আর্দ্রতা দ্রুত নষ্ট হয়
🌡️ ৩. এসি, ফ্যান বা শুষ্ক আবহাওয়া
-
শুষ্ক বাতাস গলার ভেতরের পানি শোষণ করে
-
দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকলে সমস্যা বাড়ে
🤧 ৪. সর্দি, অ্যালার্জি ও সাইনাস
-
নাক বন্ধ থাকায় মুখ দিয়ে শ্বাস
-
গলা খুসখুস ও শুষ্কতা
💊 ৫. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
বিশেষ করে—
-
অ্যালার্জির ওষুধ
-
উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ
-
ঘুমের ওষুধ
-
ডিপ্রেশনের ওষুধ
এসব লালা উৎপাদন কমায়।
🧬 ৬. ভিটামিন ও খনিজের অভাব
বিশেষ করে—
-
ভিটামিন A
-
ভিটামিন B কমপ্লেক্স
-
ভিটামিন C
-
জিঙ্ক ও আয়রন
এর অভাবে গলার ভেতরের শ্লেষ্মা স্তর শুকিয়ে যায়।
🚬 ৭. ধূমপান ও তামাক সেবন
-
গলার ভেতরের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট করে
-
দীর্ঘদিনে গলা রুক্ষ হয়ে যায়
🍵 ৮. অতিরিক্ত চা, কফি ও ক্যাফেইন
-
শরীর থেকে পানি বের করে দেয়
-
গলা ও মুখ শুষ্ক লাগে
🩺 ৯. ডায়াবেটিস ও হরমোনজনিত সমস্যা
-
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে মুখ ও গলা শুকিয়ে যায়
-
রাতে বেশি তৃষ্ণা লাগে
😰 ১০. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
-
স্ট্রেসে লালা নিঃসরণ কমে যায়
-
মুখ ও গলা শুকিয়ে যায়
✅ ঘন ঘন গলা শুকিয়ে যাওয়ার প্রতিকার
💧 ১. পর্যাপ্ত পানি পান
-
দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি
-
অল্প অল্প করে বারবার পান করুন
🍯 ২. মধু ব্যবহার
-
১ চামচ খাঁটি মধু দিনে ২ বার
-
গরম পানির সাথে মধু ও লেবু
🍋 ৩. ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খান
ভিটামিন A:
-
গাজর, পালং শাক, ডিম
ভিটামিন B:
-
কলা, ডাল, বাদাম
ভিটামিন C:
-
লেবু, আমলকি, পেয়ারা
🌿 ৪. ঘরোয়া উপায়
-
কুসুম গরম পানি দিয়ে গার্গল
-
আদা চা
-
তুলসি পাতা চিবানো
🌬️ ৫. পরিবেশে আর্দ্রতা বজায় রাখুন
-
এসির ঘরে পানিভর্তি পাত্র রাখুন
-
খুব শুষ্ক বাতাস এড়িয়ে চলুন
🚫 ৬. যেগুলো এড়াবেন
-
ধূমপান
-
অতিরিক্ত ঝাল খাবার
-
খুব ঠান্ডা পানীয়
-
দেরি রাতে চা-কফি
🩺 ৭. কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন
-
২–৩ সপ্তাহের বেশি সমস্যা থাকলে
-
ঢোক গিলতে কষ্ট হলে
-
গলার সাথে জ্বর বা ওজন কমলে
-
ডায়াবেটিস থাকল
ঘন ঘন গলা শুকিয়ে যায় কেন
💧 ১. শরীরে পানির ঘাটতি
পর্যাপ্ত পানি না খেলে—
-
লালা কম তৈরি হয়
-
গলার ভেতরের আর্দ্রতা নষ্ট হয়
➡ ফলে গলা বারবার শুকিয়ে যায়
🌬️ ২. মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া
-
নাক বন্ধ, সাইনাস বা অ্যালার্জি থাকলে
-
ঘুমের সময় মুখ খোলা থাকলে
➡ বাতাস সরাসরি গলায় ঢুকে গলা শুকিয়ে দেয়
🌡️ ৩. শুষ্ক বাতাস (এসি/ফ্যান)
-
এসি বা ফ্যানের বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে
-
দীর্ঘক্ষণ থাকলে গলার পানি শুকিয়ে যায়
🤧 ৪. সর্দি, অ্যালার্জি ও সাইনাস সমস্যা
-
নাক দিয়ে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়
-
মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হয়
➡ গলা শুষ্ক হয়
💊 ৫. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
যেমন—
-
অ্যালার্জির ওষুধ
-
উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ
-
ঘুমের ওষুধ
-
মানসিক চাপের ওষুধ
এসব ওষুধ লালা উৎপাদন কমায়।
🧬 ৬. ভিটামিন ও খনিজের অভাব
বিশেষ করে—
-
ভিটামিন A
-
ভিটামিন B কমপ্লেক্স
-
ভিটামিন C
-
জিঙ্ক
এর অভাবে গলার ভেতরের শ্লেষ্মা স্তর শুকিয়ে যায়।
🚬 ৭. ধূমপান ও তামাক সেবন
-
গলার প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট করে
-
গলা রুক্ষ ও শুষ্ক করে তোলে
🍵 ৮. অতিরিক্ত চা-কফি পান
-
ক্যাফেইন শরীর থেকে পানি বের করে দেয়
-
মুখ ও গলা শুষ্ক লাগে
🩺 ৯. ডায়াবেটিস
-
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে
-
ঘন ঘন তৃষ্ণা ও গলা শুকিয়ে যায়
😰 ১০. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
-
স্ট্রেসে লালা নিঃসরণ কমে
-
মুখ ও গলা শুকিয়ে যায়
শীতকালে গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ
🌬️ ১. শুষ্ক ও ঠান্ডা বাতাস
শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে।
-
শুষ্ক বাতাস গলার ভেতরের আর্দ্রতা শুষে নেয়
-
ফলে গলা রুক্ষ ও শুকনো লাগে
🔥 ২. হিটার বা গরম পরিবেশ
শীতে হিটার বা বন্ধ ঘরে থাকলে—
-
ঘরের বাতাস আরও শুষ্ক হয়ে যায়
-
গলার শ্লেষ্মা স্তর নষ্ট হয়
💧 ৩. কম পানি পান করার অভ্যাস
শীতে তৃষ্ণা কম লাগে, ফলে—
-
পানি কম খাওয়া হয়
-
শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে
➡ গলা শুকিয়ে যায়
😮 ৪. মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া
শীতে সর্দি, নাক বন্ধ থাকার কারণে—
-
মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হয়
-
ঠান্ডা বাতাস সরাসরি গলায় ঢুকে শুষ্কতা বাড়ায়
🤧 ৫. সর্দি-কাশি ও অ্যালার্জি
শীতে এসব সমস্যা বেশি হয়।
-
নাক বন্ধ থাকে
-
গলা খুসখুস ও শুকিয়ে যায়
🍵 ৬. অতিরিক্ত চা-কফি পান
শীতে অনেকেই বেশি চা-কফি খান।
-
ক্যাফেইন শরীর থেকে পানি বের করে দেয়
-
গলা আরও শুকিয়ে যায়
🚬 ৭. ধূমপান
শীতকালে ধূমপানের প্রবণতা বাড়ে।
-
গলার ভেতরের আর্দ্রতা নষ্ট করে
-
শুষ্কতা ও জ্বালাপোড়া বাড়ায়
🧬 ৮. ভিটামিনের অভাব
শীতে ফলমূল কম খাওয়ার কারণে—
-
ভিটামিন A
-
ভিটামিন B কমপ্লেক্স
-
ভিটামিন C
এর ঘাটতি দেখা দেয়, যা গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ।
🛌 ৯. ঘুমানোর সময় মুখ খোলা থাকা
শীতে কম্বলের ভেতরে মুখ খুলে ঘুমালে—
-
গলার আর্দ্রতা দ্রুত শুকিয়ে যায়
-
সকালে বেশি শুষ্ক লাগে
💊 ১০. কিছু ওষুধের প্রভাব
শীতে সর্দি-কাশির ওষুধ বেশি খাওয়া হয়।
-
অনেক ওষুধ লালা উৎপাদন কমায়
-
গলা শুকিয়ে যায়
✅ শীতকালে গলা শুকানো কমানোর উপায়
-
কুসুম গরম পানি নিয়মিত পান
-
দিনে ১–২ বার লবণ পানিতে গার্গল
-
মধু ও আদা ব্যবহার
-
রুমে পানিভর্তি পাত্র রাখুন
-
ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খান
-
ধূমপান ও অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলুন
হঠাৎ গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ
💧 ১. হঠাৎ শরীরে পানির ঘাটতি
-
দীর্ঘ সময় পানি না খেলে
-
বেশি ঘাম হলে
-
জ্বর বা ডায়রিয়ার পর
➡ হঠাৎ গলা শুকিয়ে যেতে পারে
😮 ২. হঠাৎ মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া
-
নাক বন্ধ হয়ে গেলে
-
দ্রুত হাঁটা বা দৌড়ানোর পর
➡ মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হয়, ফলে গলা শুকিয়ে যায়
🌬️ ৩. শুষ্ক বাতাসে প্রবেশ করা
-
এসি রুম থেকে বাইরে আসা
-
ঠান্ডা বা ধুলাবালি পরিবেশে ঢোকা
➡ বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকলে গলা শুকিয়ে যায়
😰 ৪. মানসিক চাপ, ভয় বা উদ্বেগ
-
হঠাৎ নার্ভাস হলে
-
স্ট্রেস বা প্যানিক অ্যাটাকের সময়
➡ লালা নিঃসরণ কমে গলা শুকিয়ে যায়
💊 ৫. কিছু ওষুধ খাওয়ার পর
বিশেষ করে—
-
অ্যালার্জির ওষুধ
-
সর্দি-কাশির ওষুধ
-
ঘুমের ওষুধ
➡ খাওয়ার পরপরই গলা শুষ্ক লাগতে পারে
🚬 ৬. ধূমপান বা ধোঁয়ার সংস্পর্শ
-
সিগারেট, ধূপ বা আগুনের ধোঁয়া
➡ গলার ভেতরের আর্দ্রতা নষ্ট করে
🍵 ৭. অতিরিক্ত চা বা কফি পান
-
হঠাৎ বেশি ক্যাফেইন নিলে
➡ শরীর পানি হারায়, গলা শুকিয়ে যায়
🧬 ৮. রক্তে শর্করা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া
-
ডায়াবেটিস থাকলে
➡ হঠাৎ তৃষ্ণা ও গলা শুকিয়ে যেতে পারে
🤧 ৯. অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া
-
ধুলা, পরাগ বা গন্ধে এলার্জি হলে
➡ গলা খুসখুস ও শুষ্কতা দেখা দেয়
⚠️ কখন সতর্ক হবেন
নিচের লক্ষণ থাকলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান—
-
শ্বাস নিতে কষ্ট
-
গলা হঠাৎ শক্ত হয়ে যাওয়া
-
বুক ধড়ফড়
-
মাথা ঘোরা
-
বারবার এমন হওয়া
✅ হঠাৎ গলা শুকিয়ে গেলে করণীয়
-
অল্প অল্প করে পানি পান করুন
-
মুখ দিয়ে নয়, নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা
-
শান্ত হয়ে ধীরে শ্বাস নিন
-
চা-কফি ও ধূমপান এড়িয়ে চলুন
-
প্রয়োজনে কুসুম গরম পানি পান
ঘন ঘন প্রস্রাব ও গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ
🩺 ১. ডায়াবেটিস (সবচেয়ে সাধারণ কারণ)
এটি এই দুই সমস্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ কারণ।
কেন হয়?
-
রক্তে শর্করা বেড়ে গেলে শরীর অতিরিক্ত গ্লুকোজ প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করতে চায়
-
তাই ঘন ঘন প্রস্রাব হয়
-
বেশি প্রস্রাবের কারণে শরীর পানি হারায়
➡ ফলে গলা ও মুখ শুকিয়ে যায়
অন্যান্য লক্ষণ:
-
অতিরিক্ত তৃষ্ণা
-
দুর্বলতা
-
ওজন কমে যাওয়া
-
রাতে বারবার প্রস্রাব
💧 ২. শরীরে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাওয়া (ডিহাইড্রেশন)
-
বেশি প্রস্রাব
-
ঘাম
-
ডায়রিয়া বা জ্বরের পর
➡ শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে
➡ গলা শুকিয়ে যায়
🍵 ৩. অতিরিক্ত চা, কফি বা ক্যাফেইন গ্রহণ
-
ক্যাফেইন ডাইইউরেটিক (প্রস্রাব বাড়ায়)
-
ফলে বারবার প্রস্রাব
-
শরীর পানি হারায়
➡ গলা শুকিয়ে যায়
💊 ৪. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
যেমন—
-
ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধ
-
উচ্চ রক্তচাপের ডাইইউরেটিক ওষুধ
-
মানসিক চাপ বা উদ্বেগের ওষুধ
এসব ওষুধ প্রস্রাব বাড়ায় ও মুখ শুকিয়ে দেয়।
🧂 ৫. অতিরিক্ত লবণ বা মসলাযুক্ত খাবার
-
বেশি লবণ → বেশি তৃষ্ণা
-
বেশি পানি খাওয়া → বেশি প্রস্রাব
➡ গলা শুকনো লাগে
🧠 ৬. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
-
স্ট্রেসে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়
-
প্রস্রাবের চাপ বাড়ে
-
লালা নিঃসরণ কমে
➡ মুখ ও গলা শুকিয়ে যায়
🦠 ৭. প্রস্রাবের সংক্রমণ (UTI)
বিশেষ করে—
-
জ্বালা
-
অল্প অল্প প্রস্রাব বারবার
-
তলপেটে অস্বস্তি
সংক্রমণের কারণে শরীর দুর্বল হয়ে গলা শুকিয়ে যেতে পারে।
🧬 ৮. হরমোনজনিত সমস্যা
-
থাইরয়েড
-
ADH হরমোনের সমস্যা (ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস)
এতে খুব বেশি প্রস্রাব ও তীব্র তৃষ্ণা দেখা যায়।
⚠️ কখন অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন
নিচের যেকোনোটি থাকলে দেরি করবেন না—
-
দিনে ও রাতে বারবার প্রস্রাব
-
অতিরিক্ত তৃষ্ণা
-
ওজন কমে যাওয়া
-
দুর্বলতা বা ঝিমুনি
-
পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস
👉 রক্তে শর্করা পরীক্ষা (FBS, RBS, HbA1c) করা জরুরি
✅ করণীয় ও প্রতিকার
-
দিনে ৮–১০ গ্লাস পানি পান
-
চা-কফি কমান
-
মিষ্টি ও অতিরিক্ত লবণ এড়ান
-
সুষম খাবার খান
-
নিয়মিত ব্লাড সুগার পরীক্ষা
-
নিজে থেকে ওষুধ খাবেন না
মুখ ও গলা শুকিয়ে যাওয়ার কারণ
💧 ১. শরীরে পানির ঘাটতি (ডিহাইড্রেশন)
সবচেয়ে সাধারণ কারণ।
-
পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া
-
বেশি ঘাম
-
জ্বর বা ডায়রিয়া
➡ লালা কম তৈরি হয়, ফলে মুখ ও গলা শুকিয়ে যায়
🩺 ২. ডায়াবেটিস
-
রক্তে শর্করা বেড়ে গেলে
-
ঘন ঘন প্রস্রাব হয়
-
শরীর পানি হারায়
➡ মুখ ও গলা শুকনো লাগে
➡ সাথে অতিরিক্ত তৃষ্ণা থাকতে পারে
🌬️ ৩. মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া
-
নাক বন্ধ
-
সাইনাস বা অ্যালার্জি
-
ঘুমের সময় মুখ খোলা থাকা
➡ বাতাস সরাসরি মুখ ও গলা শুকিয়ে দেয়
💊 ৪. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
বিশেষ করে—
-
অ্যালার্জির ওষুধ
-
উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ
-
ঘুমের ওষুধ
-
ডিপ্রেশন বা উদ্বেগের ওষুধ
এসব ওষুধ লালা উৎপাদন কমায়।
🧬 ৫. ভিটামিন ও খনিজের অভাব
বিশেষ করে—
-
ভিটামিন A
-
ভিটামিন B কমপ্লেক্স
-
ভিটামিন C
-
জিঙ্ক
এর অভাবে মুখ ও গলার ভেতরের আর্দ্রতা কমে যায়।
🚬 ৬. ধূমপান ও তামাক সেবন
-
লালা গ্রন্থি ক্ষতিগ্রস্ত হয়
-
মুখ ও গলা রুক্ষ ও শুকনো হয়ে যায়
🍵 ৭. অতিরিক্ত চা-কফি পান
-
ক্যাফেইন শরীর থেকে পানি বের করে দেয়
-
মুখ ও গলা শুকিয়ে যায়
😰 ৮. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
-
স্ট্রেসে লালা নিঃসরণ কমে যায়
-
মুখ হঠাৎ শুকিয়ে যেতে পারে
🦠 ৯. মুখের সংক্রমণ বা গলার সমস্যা
-
টনসিল
-
ফাঙ্গাল ইনফেকশন
-
মুখে ঘা
➡ মুখ ও গলায় শুষ্কতা অনুভূত হয়
🌙 ১০. রাতে মুখ খোলা রেখে ঘুমানো
-
সকালে উঠে মুখ ও গলা খুব শুকনো লাগে
-
ঠোঁট ফেটে যেতে পারে
⚠️ কখন সতর্ক হবেন
নিচের লক্ষণ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন—
-
দীর্ঘদিন মুখ ও গলা শুকিয়ে থাকা
-
ঢোক গিলতে কষ্ট
-
মুখে ঘা বা জ্বালাপোড়া
-
অকারণে ওজন কমা
-
অতিরিক্ত তৃষ্ণা ও প্রস্রাব
✅ মুখ ও গলা শুকানো কমানোর উপায়
-
দিনে ৮–১০ গ্লাস পানি পান
-
ধূমপান ও চা-কফি কমান
-
কুসুম গরম পানি পান
-
মধু ও লেবু ব্যবহার
-
ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খান
-
নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস করুন
শেষ কথা
মুখ ও গলা শুকিয়ে যাওয়া সাধারণ একটি সমস্যা হলেও এটিকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি পানির অভাব, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ভিটামিনের ঘাটতি বা দৈনন্দিন কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। সঠিক জীবনযাপন, পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুললে এই সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে গলা বা মুখ শুষ্ক থাকলে, বা এর সঙ্গে অন্য শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হলেই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব।

.webp)
.webp)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url